|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
| |
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
পুলিশ, সাংবাদিক ও সব বাহিনী হোক নিরপেক্ষ—দল নয়, দেশ ও জনগণের সেবক।
পুলিশ বাহিনী কোনো রাজনৈতিক দলের নয়, রাষ্ট্রের এবং জনগণের সম্পদ। তাই পুলিশকে হতে হবে সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ, পেশাদার ও জনবান্ধব। কোনো সরকারই যেন নিজেদের ক্ষমতা টিকিয়ে রাখতে পুলিশ কিংবা রাষ্ট্রের অন্য কোনো বাহিনীকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে জনগণের ওপর জুলুম-নির্যাতন চালাতে না পারে। পুলিশও মানুষ, তারাও এই সমাজ ও রাষ্ট্রেরই অংশ। রাজনৈতিক ক্ষমতার অপব্যবহার ও নির্দেশনার আড়ালে কোনো বাহিনীকে যেন অন্যায় করতে বাধ্য করা না হয়। অতীতে স্বৈরশাসনের সময়ে আমরা এর ভয়াবহ পরিণতি দেখেছি। সেই ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিয়ে ভবিষ্যতের বাংলাদেশে এমন সংস্কৃতি আর ফিরে আসুক, তা চাই না। আমার প্রত্যাশা, পুলিশ, সাংবাদিক এবং বাংলাদেশের প্রতিটি আইনশৃঙ্খলা ও প্রতিরক্ষা বাহিনী কোনো ব্যক্তি, দল কিংবা সরকারের স্বার্থে নয়—সংবিধান, আইন, ন্যায়বিচার, দেশ ও জনগণের কল্যাণে দায়িত্ব পালন করবে। মনে রাখতে হবে, সরকার আসে-যায়, রাজনৈতিক দল পরিবর্তন হয়; কিন্তু রাষ্ট্র ও জনগণ চিরস্থায়ী। তাই কোনো বাহিনী হবে না ক্ষমতার হাতিয়ার, হবে জনগণের আস্থার প্রতীক। এটাই আমার দাবি, এটাই একটি গণতান্ত্রিক ও মানবিক বাংলাদেশের প্রত্যাশা।
✍️ মৃধা বেলাল
|
|
পুলিশ বাহিনী কোনো রাজনৈতিক দলের নয়, রাষ্ট্রের এবং জনগণের সম্পদ। তাই পুলিশকে হতে হবে সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ, পেশাদার ও জনবান্ধব। কোনো সরকারই যেন নিজেদের ক্ষমতা টিকিয়ে রাখতে পুলিশ কিংবা রাষ্ট্রের অন্য কোনো বাহিনীকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে জনগণের ওপর জুলুম-নির্যাতন চালাতে না পারে। পুলিশও মানুষ, তারাও এই সমাজ ও রাষ্ট্রেরই অংশ। রাজনৈতিক ক্ষমতার অপব্যবহার ও নির্দেশনার আড়ালে কোনো বাহিনীকে যেন অন্যায় করতে বাধ্য করা না হয়। অতীতে স্বৈরশাসনের সময়ে আমরা এর ভয়াবহ পরিণতি দেখেছি। সেই ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিয়ে ভবিষ্যতের বাংলাদেশে এমন সংস্কৃতি আর ফিরে আসুক, তা চাই না। আমার প্রত্যাশা, পুলিশ, সাংবাদিক এবং বাংলাদেশের প্রতিটি আইনশৃঙ্খলা ও প্রতিরক্ষা বাহিনী কোনো ব্যক্তি, দল কিংবা সরকারের স্বার্থে নয়—সংবিধান, আইন, ন্যায়বিচার, দেশ ও জনগণের কল্যাণে দায়িত্ব পালন করবে। মনে রাখতে হবে, সরকার আসে-যায়, রাজনৈতিক দল পরিবর্তন হয়; কিন্তু রাষ্ট্র ও জনগণ চিরস্থায়ী। তাই কোনো বাহিনী হবে না ক্ষমতার হাতিয়ার, হবে জনগণের আস্থার প্রতীক। এটাই আমার দাবি, এটাই একটি গণতান্ত্রিক ও মানবিক বাংলাদেশের প্রত্যাশা।
✍️ মৃধা বেলাল
|
|
|
|
নতুন বাজার ডেস্ক।
ফেসবুক আইডি বন্ধের আশঙ্কা, তবুও মানবতার সেবায় থেমে থাকতে চান না মাহাবুবুর রহমান অপু মানুষের পাশে থাকার স্বপ্ন কোনো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের আইডির ওপর নির্ভরশীল নয় বলে মন্তব্য করেছেন পায়রা কমিউনিটি ব্লাড সেন্টারের প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি মোঃ মাহাবুবুর রহমান (অপু)। সম্প্রতি নিজের ফেসবুক আইডি বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করে দেওয়া এক আবেগঘন স্ট্যাটাসে তিনি বলেন, ব্যক্তিগত আক্রোশ, অভিমান কিংবা প্রতিহিংসার কারণে কেউ তাঁর ফেসবুক আইডি রিপোর্ট করে বন্ধ করার চেষ্টা করলে ব্যক্তিগতভাবে তাঁর খুব বেশি কিছু হারানোর নেই। তবে এই আইডির সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে অসংখ্য মানুষের ভালোবাসা, বিশ্বাস এবং মানবিক সহযোগিতার সম্পর্ক। স্ট্যাটাসে মাহাবুবুর রহমান অপু উল্লেখ করেন, ফেসবুক আইডির মাধ্যমে তিনি দীর্ঘদিন ধরে অসহায় রোগীদের পাশে দাঁড়ানো, মুমূর্ষু রোগীর জন্য রক্ত ও প্লাটিলেট ডোনার সংগ্রহ এবং বিপদগ্রস্ত মানুষের সঙ্গে স্বেচ্ছাসেবীদের যোগাযোগ স্থাপনে কাজ করে আসছেন। কখনো গভীর রাতে, আবার কখনো কর্মব্যস্ততার মাঝেও মানুষের জীবন বাঁচানোর প্রয়োজনে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। তিনি আরও বলেন, এসব মানবিক কর্মকাণ্ডের পেছনে তাঁর কোনো ব্যক্তিগত ব্যবসায়িক স্বার্থ কিংবা আর্থিক লাভের প্রত্যাশা নেই। মানুষের উপকার করা এবং অসহায় পরিবারের মুখে হাসি ফোটানোই তাঁর মূল লক্ষ্য। ফেসবুক আইডি বন্ধ হয়ে গেলে শুধু তাঁর ব্যক্তিগত যোগাযোগের মাধ্যমই ক্ষতিগ্রস্ত হবে না, বরং অনেক অসহায় রোগী ও স্বেচ্ছাসেবীর মধ্যে যোগাযোগের গুরুত্বপূর্ণ একটি মাধ্যম সংকুচিত হতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি। ব্যক্তিগত বিরোধ কিংবা প্রতিহিংসার পরিবর্তে মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে বিষয়টি বিবেচনার আহ্বান জানিয়ে অপু বলেন, কারও প্রতি তাঁর কোনো অভিযোগ নেই। তিনি কারও সঙ্গে বিরোধে জড়াতে চান না। তবে তাঁর বিনীত অনুরোধ, ব্যক্তিগত ক্ষোভের কারণে এমন কোনো পদক্ষেপ নেওয়া উচিত নয়, যাতে অসহায় ও বিপদগ্রস্ত মানুষ সহযোগিতা থেকে বঞ্চিত হন। তিনি দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে বলেন, একটি ফেসবুক আইডি বন্ধ হয়ে যেতে পারে, কিন্তু মানুষের জন্য কাজ করার ইচ্ছা, স্বেচ্ছাসেবীদের প্রতি ভালোবাসা এবং মানবতার পথে চলার সংকল্প কখনো বন্ধ হবে না। যতদিন বেঁচে থাকবেন, ততদিন মানুষের বিপদে পাশে থাকার চেষ্টা চালিয়ে যাবেন। তাঁর ভাষায়, পরিচিতি কিংবা প্রতিদান নয়, নিজের মাধ্যমে অন্তত একজন অসহায় মানুষের উপকার হোক—এটাই তাঁর প্রত্যাশা। মানবিক কর্মকাণ্ড অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করে তিনি বলেন, মানুষের পাশে ছিলেন, আছেন এবং ইনশাআল্লাহ আমৃত্যু থাকার চেষ্টা করবেন। মোঃ মাহাবুবুর রহমান (অপু) প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি পায়রা কমিউনিটি ব্লাড সেন্টার। মানবতার জয় হোক। ❤️?
|
|
|
|
রিপোর্ট - রিয়াজুল ইসলাম।
বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলে বঙ্গোপসাগরের উপকূলঘেঁষা প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যে সমৃদ্ধ একটি জেলার নাম বরগুনা। নদ-নদী, বনভূমি, মৎস্যসম্পদ, কৃষি ও পর্যটনসম্ভাবনায় এ জেলা দেশের দক্ষিণাঞ্চলে গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান তৈরি করেছে।
ইতিহাস ও ঐতিহ্যের স্মারক
১৯৮৪ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি বরগুনা পূর্ণাঙ্গ জেলা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। জেলার বেতাগী উপজেলার ঐতিহাসিক বিবিচিনি শাহী মসজিদ প্রাচীন স্থাপত্য ও ধর্মীয় ঐতিহ্যের অন্যতম নিদর্শন। পাশাপাশি রাখাইন সম্প্রদায়ের ভাষা, তাঁতশিল্প ও সংস্কৃতি এ অঞ্চলের ঐতিহ্যকে করেছে বৈচিত্র্যময়।
প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্য
পায়রা, বিষখালী ও বলেশ্বর নদীসহ অসংখ্য জলধারা বরগুনার প্রকৃতি ও জীবনযাত্রাকে সমৃদ্ধ করেছে। হরিণঘাটা বন, টেংরাগিরি ইকোপার্ক, সোনাকাটা, লালদিয়ার চর ও বিহঙ্গ দ্বীপ জেলার উল্লেখযোগ্য প্রাকৃতিক আকর্ষণ। এসব স্থান পর্যটন বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ সম্ভাবনা ধারণ করে।
মৎস্য ও কৃষিনির্ভর অর্থনীতি
বঙ্গোপসাগর ও নদ-নদীকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে বরগুনার মৎস্য অর্থনীতি। বিশেষ করে পাথরঘাটা ইলিশসহ বিভিন্ন সামুদ্রিক মাছ আহরণ ও বিপণনের জন্য পরিচিত। পাশাপাশি ধান, তরমুজসহ বিভিন্ন কৃষিপণ্য উৎপাদন জেলার অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
সংগ্রাম ও ঘুরে দাঁড়ানোর ইতিহাস
মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি এবং ২০০৭ সালের প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড় সিডরের ক্ষত বরগুনার ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। প্রাকৃতিক দুর্যোগের সঙ্গে লড়াই করে এ জেলার মানুষ বারবার ঘুরে দাঁড়ানোর সাহস ও দৃঢ়তার পরিচয় দিয়েছেন। পর্যটনের অপার সম্ভাবনা প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, ঐতিহাসিক স্থাপনা, স্থানীয় খাবার, গ্রামীণ মেলা ও রাখাইন সংস্কৃতিকে কেন্দ্র করে বরগুনায় পর্যটনশিল্প বিকাশের ব্যাপক সুযোগ রয়েছে। পরিকল্পিত অবকাঠামো উন্নয়ন, ঐতিহ্য সংরক্ষণ এবং পরিবেশবান্ধব পর্যটনব্যবস্থা গড়ে তোলা গেলে এ সম্ভাবনাকে কাজে লাগানো সম্ভব। উপসংহার বরগুনা শুধু একটি উপকূলীয় জেলা নয়; এটি নদী, সাগর, বন, ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংগ্রামী মানুষের এক অনন্য জনপদ। যথাযথ পরিকল্পনা ও সংরক্ষণের মাধ্যমে বরগুনার ঐতিহাসিক পরিচিতি, প্রাকৃতিক সম্পদ ও পর্যটনসম্ভাবনাকে জাতীয় পর্যায়ে আরও উজ্জ্বল করে তোলা সম্ভব।
|
|
|
|
রিপোর্ট: মৃধা বেলাল
মাদারীপুর জেলা প্রশাসনের রাজস্ব বিভাগে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করছেন অভিজ্ঞ ও জনবান্ধব কর্মকর্তা মো. আশরাফুল আলম। বর্তমানে তিনি মাদারীপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। মাঠ প্রশাসনে দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা, দায়িত্বশীলতা ও জনসেবামুখী কর্মদৃষ্টিভঙ্গির মাধ্যমে তিনি প্রশাসনিক কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন।
মাঠ প্রশাসন থেকে রাজস্ব ব্যবস্থাপনায়
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. আশরাফুল আলম এর আগে বিভিন্ন উপজেলায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। মাঠ প্রশাসনে দায়িত্ব পালনকালে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, ভূমি ব্যবস্থাপনা, দুর্যোগ মোকাবিলা এবং সরকারি উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়নে তিনি অভিজ্ঞতা অর্জন করেন। বিশেষ করে করোনাকালীন সময়ে ত্রাণ বিতরণ, ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির মতো গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রমে মাঠ প্রশাসনের ভূমিকা ছিল তাৎপর্যপূর্ণ। মাঠপর্যায়ে অর্জিত সেই অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে বর্তমানে তিনি মাদারীপুর জেলার ভূমি ব্যবস্থাপনা, রাজস্ব আদায়, খাসজমি বন্দোবস্ত এবং ভূমিসংক্রান্ত জনসেবা কার্যক্রমকে আরও সহজ ও গতিশীল করার দায়িত্ব পালন করছেন।
জনসেবায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির গুরুত্ব
একটি জনবান্ধব প্রশাসনের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো সাধারণ মানুষের সমস্যা মনোযোগ দিয়ে শোনা এবং হয়রানি ছাড়াই সরকারি সেবা নিশ্চিত করা। এ ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও দায়িত্বশীলতার ওপর গুরুত্ব দেওয়ার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। মো. আশরাফুল আলমের কর্মপদ্ধতি সম্পর্কে সহকর্মীদের মূল্যায়ন হলো, তিনি পরিশ্রমী, সময়নিষ্ঠ ও সিদ্ধান্ত গ্রহণে দৃঢ়। সাধারণ মানুষের সমস্যাকে গুরুত্ব দেওয়া এবং দায়িত্ব পালনে আন্তরিকতা তাঁর কর্মজীবনের উল্লেখযোগ্য দিক।
প্রশাসনের মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত জনগণের আস্থা অর্জন এবং সরকারি সেবাকে মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া।
ভূমি ও রাজস্ব প্রশাসনের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিভাগে এই দৃষ্টিভঙ্গির বাস্তবায়ন সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কমাতে সহায়ক হতে পারে।
ভূমিসেবার আধুনিকায়নে প্রত্যাশা
ভূমি ব্যবস্থাপনা সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত। খতিয়ান, নামজারি, ভূমি উন্নয়ন কর এবং খাসজমি বন্দোবস্তের মতো কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও সেবার সহজলভ্যতা নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ডিজিটাল পদ্ধতির কার্যকর ব্যবহার, সেবাপ্রক্রিয়ায় জবাবদিহি বৃদ্ধি এবং মাঠপর্যায়ে তদারকি জোরদার করার মাধ্যমে ভূমিসেবাকে আরও জনবান্ধব করে তোলার সুযোগ রয়েছে। মাদারীপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) হিসেবে মো. আশরাফুল আলমের মাঠ প্রশাসনের অভিজ্ঞতা জেলার রাজস্ব ও ভূমি ব্যবস্থাপনায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে—এমন প্রত্যাশা স্থানীয় সচেতন মহলের।
অভিজ্ঞতার সঙ্গে জনসেবার সমন্বয়
প্রশাসনিক দায়িত্ব কেবল নিয়মনীতি বাস্তবায়নের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; এর সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে মানুষের অধিকার, প্রত্যাশা ও দৈনন্দিন সমস্যার সমাধান। মাঠ প্রশাসনের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে রাজস্ব ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা, গতিশীলতা ও জনবান্ধব সেবার পরিবেশ নিশ্চিত করাই হতে পারে তাঁর দায়িত্ব পালনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র।
মাদারীপুরের মানুষ প্রত্যাশা করেন, ভূমি ও রাজস্ব প্রশাসনে সেবার মানোন্নয়ন, হয়রানি হ্রাস এবং স্বচ্ছতা প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে সরকারি সেবা আরও সহজ ও জনমুখী হয়ে উঠবে।
|
|
|
|
রিপোর্ট-মৃধা বেলাল।
বরগুনা জেলা বিএনপির সদস্য সচিব এস এম হুমায়ুন হাসান শাহীন দলীয় রাজনীতিতে দীর্ঘ সংগ্রাম, সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা এবং সফল নেতৃত্বের মাধ্যমে জেলার রাজনীতিতে এক গুরুত্বপূর্ণ ও অপরিহার্য অবস্থান তৈরি করেছেন। জেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব সফলভাবে পালনের পর, ২০২৫ সালের ২১ সেপ্টেম্বর তিনি জেলা বিএনপির সদস্য সচিবের গুরুদায়িত্ব গ্রহণ করেন।
রাজনৈতিক পথচলা ও বর্তমান চ্যালেঞ্জ।
রাজনৈতিক উত্থান-পতন ও নানা প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে এগিয়ে চলা বরগুনা জেলা বিএনপির সাংগঠনিক পুনর্গঠনের প্রেক্ষাপটে তাঁর সামনে বর্তমানে বড় কিছু চ্যালেঞ্জ রয়েছে। এর মধ্যে তৃণমূলের নেতা-কর্মীদের ঐক্যবদ্ধ রাখা, দলীয় শৃঙ্খলা সুদৃঢ় করা এবং সংগঠনকে আরও গতিশীল ও শক্তিশালী করে তোলা অন্যতম। একজন রাজনৈতিক নেতার প্রকৃত মূল্যায়ন কেবল পদ-পদবিতে সীমাবদ্ধ নয়; বরং দুঃসময়ে তাঁর অগ্রণী ভূমিকা, নেতা-কর্মীদের প্রতি নিখাদ দায়বদ্ধতা এবং সাংগঠনিক অবদানই তাঁর প্রকৃত পরিচয় বহন করে। হুমায়ুন হাসান শাহীনের রাজনৈতিক জীবন ও সংগ্রাম ঠিক তেমনি এক পরীক্ষিত অধ্যায়।
পৌর নির্বাচনে সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থী ও জনসমর্থন।
দলীয় কার্যক্রম ও জনসম্পৃক্ততার পাশাপাশি তিনি এবার আসন্ন বরগুনা পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। স্থানীয় রাজনীতিতে তাঁর দীর্ঘ সম্পৃক্ততা ও কর্মীবান্ধব মনোভাবের কারণে তিনি ইতোমধ্যে সাধারণ মানুষ ও দলীয় অঙ্গনে জনপ্রিয়তার শীর্ষে অবস্থান করছেন।
ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব ও প্রত্যাশা
বরগুনা জেলা বিএনপির নেতৃত্বে তাঁর আগামী দিনের কার্যক্রম ও সাফল্য অনেকাংশেই নির্ভর করবে তৃণমূলের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা, দলীয় ঐক্য বজায় রাখা এবং জনসম্পৃক্ততা আরও বহুগুণ বৃদ্ধি করার ওপর। রাজনীতিতে পদ-পদবি সাময়িক, কিন্তু মানুষের অকৃত্রিম আস্থা, ভালোবাসা এবং সাংগঠনিক অবদানই একজন নেতার স্থায়ী পরিচয়—আর এই মন্ত্রেই দীক্ষিত হয়ে হুমায়ুন হাসান শাহীন এগিয়ে চলেছেন তাঁর রাজনৈতিক লক্ষ্যের দিকে।
|
|
|
|
নিজস্ব প্রতিবেদক:
বর্তমান সরকারের সুনাম ক্ষুন্ন করতে এবং সাংবাদিকদের সরকারের বিরুদ্ধে খেপিয়ে তুলতে একটি কুচক্রী মহল অপচেষ্টার পায়তারা করছে। সাংবাদিকদের সঙ্গে বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতা, মন্ত্রী, সংসদ সদস্য ও বিশিষ্ট ব্যক্তির ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করে তাঁদের রাজনৈতিক পরিচয় নির্ধারণ, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার এবং সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার অপচেষ্টার বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন ঢাকা প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দ। শনিবার (১৭ অক্টোবর) এক প্রতিবাদী বক্তব্যে সংগঠনের নেতৃবৃন্দ বলেন, ব্যক্তিগত, সামাজিক কিংবা সাংগঠনিক অনুষ্ঠানে তোলা ছবি কেটে বিকৃতভাবে উপস্থাপন, এমনকি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে ছবি তৈরি কিংবা পরিবর্তনের মাধ্যমে সাংবাদিকদের বিতর্কিত করার অভিযোগ অত্যন্ত উদ্বেগজনক। এ ধরনের কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে সাংবাদিক সমাজকে বিভ্রান্ত করা, তাঁদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করা এবং বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে সাংবাদিকদের ক্ষুব্ধ করে তোলার অপচেষ্টা চলছে বলে তাঁরা অভিযোগ করেন। নেতৃবৃন্দ বলেন, একটি ছবি কখনোই কোনো ব্যক্তির রাজনৈতিক পরিচয়, অপরাধ কিংবা দলীয় আনুগত্যের চূড়ান্ত প্রমাণ হতে পারে না। সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা, সরকারি কর্মকর্তা, মন্ত্রী, সংসদ সদস্য, ব্যবসায়ী, শিল্পী ও সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে হয়। সাক্ষাৎকার গ্রহণ, সংবাদ সংগ্রহ, সাংগঠনিক কার্যক্রম কিংবা সামাজিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের সময় তাঁদের সঙ্গে ছবি তোলাও স্বাভাবিক বিষয়। এসব ছবি ব্যবহার করে কাউকে রাজনৈতিকভাবে চিহ্নিত করা, সামাজিক মর্যাদা ক্ষুণ্ন করা কিংবা হেয়প্রতিপন্ন করা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। ঢাকা প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, বিগত সরকারের সময় কারও রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা বা সাংগঠনিক ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন থাকলে তা যাচাই করতে হবে তাঁর প্রকৃত কর্মকাণ্ড, প্রকাশ্য বক্তব্য, দলীয় কার্যক্রমে অংশগ্রহণ এবং নির্ভরযোগ্য তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে। ব্যক্তিগত ছবি, অনুমান কিংবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া বক্তব্যের ওপর নির্ভর করে কাউকে অপরাধী বা রাজনৈতিক দলের সক্রিয় কর্মী হিসেবে উপস্থাপন করা দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার পরিপন্থী। ছবি প্রকাশের ভয় দেখিয়ে অর্থ আদায়ের অভিযোগ তদন্তের দাবি সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছবি প্রকাশের ভয় দেখানো, ব্যক্তিগত ইনবক্সে ছবি পাঠিয়ে চাপ সৃষ্টি, ছবি সরিয়ে দেওয়ার বিনিময়ে অর্থ দাবি এবং অর্থ দিতে অস্বীকৃতি জানালে আরও ছবি বা সংবাদ প্রকাশের হুমকি দেওয়ার মতো কর্মকাণ্ডের অভিযোগ সামনে আসছে। এসব অভিযোগ সত্য হলে তা শুধু সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের জন্য নয়, স্বাধীন সাংবাদিকতা ও সামগ্রিক সামাজিক পরিবেশের জন্যও গুরুতর হুমকি। অভিযোগ রয়েছে, পাভেল নামের এক ব্যক্তির নেতৃত্বে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে একটি চক্র এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকতে পারে। অভিযোগ অনুযায়ী, ওই চক্রের সদস্যরা ছবি প্রকাশ করে কিংবা ব্যক্তিগতভাবে ছবি পাঠিয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের চাপে ফেলার চেষ্টা করেন। ছবি মুছে দেওয়ার বিনিময়ে অর্থ দাবি, অর্থ না দিলে একাধিক অনলাইন পোর্টালে একই ধরনের সংবাদ প্রকাশ এবং সামাজিকভাবে হেয় করার হুমকির অভিযোগও উঠেছে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে পরিচিত ব্যক্তি কিংবা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের নাম ব্যবহার করে ভুক্তভোগী ও তাঁদের পরিবারের ওপর চাপ সৃষ্টির অভিযোগও রয়েছে। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত করা জরুরি। কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠা মানেই তিনি অপরাধী—এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যায় না। একই সঙ্গে অভিযোগের আড়ালে কোনো অপরাধ সংঘটিত হয়ে থাকলে সংশ্লিষ্টদের দায়মুক্তি দেওয়ারও সুযোগ নেই। অপসাংবাদিকতা ও মব সৃষ্টির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের আহ্বান ঢাকা প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দ বলেন, সাংবাদিকতার পরিচয় ব্যবহার করে ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিল, কথিত চাঁদাবাজি, ব্ল্যাকমেইল, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত সংবাদ প্রচার এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মব সৃষ্টির অপচেষ্টা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। এসব কর্মকাণ্ডের কারণে প্রকৃত ও পেশাদার সাংবাদিকদের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে সাংবাদিকতা সম্পর্কে নেতিবাচক ধারণা তৈরি হচ্ছে। তাঁরা বলেন, কোনো ব্যক্তি বা সংগঠনের সঙ্গে রাজনৈতিক নেতার ছবি থাকলেই তাঁকে ওই দলের অনুসারী হিসেবে চিহ্নিত করা যায় না। একইভাবে, সাংবাদিকতার পরিচয় ব্যবহার করে কেউ মিথ্যা তথ্য প্রচার, অনৈতিক সুবিধা আদায় কিংবা কাউকে জিম্মি করার চেষ্টা করলে তাঁর বিরুদ্ধেও প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। তবে অভিযোগ যাচাইয়ের ক্ষেত্রে ন্যায়বিচার, নিরপেক্ষতা এবং ব্যক্তির সম্মান রক্ষার বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি জোর দাবি ঢাকা প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি জোর দাবি জানিয়ে নেতৃবৃন্দ বলেন, সাংবাদিকদের ছবি ব্যবহার করে অপপ্রচার, ভয়ভীতি প্রদর্শন, অর্থ দাবি, ব্ল্যাকমেইল কিংবা মব সৃষ্টির যেসব অভিযোগ উঠেছে, সেগুলো দ্রুত ও নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করতে হবে। প্রাসঙ্গিক ছবি, বার্তা, কলের তথ্য এবং আর্থিক লেনদেন আইনসম্মত পদ্ধতিতে যাচাই করে প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটন করতে হবে। অপরাধে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে তাঁদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। একই সঙ্গে নিরপরাধ সাংবাদিক ও সাধারণ মানুষ যাতে হয়রানির শিকার না হন, সে বিষয়েও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়। প্রতিবাদী বক্তব্যে নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, সাংবাদিকদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি, তাঁদের রাজনৈতিকভাবে বিতর্কিত করা কিংবা ব্যক্তিগত ছবি ব্যবহার করে সামাজিকভাবে হেয় করার অপচেষ্টা বন্ধ করতে হবে। বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে জনমত তৈরি বা নষ্ট করার উদ্দেশ্যে যদি কেউ পরিকল্পিতভাবে সাংবাদিক সমাজকে ব্যবহার করার চেষ্টা করে, সে অভিযোগও তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে তদন্ত করা উচিত। কোনো পক্ষের রাজনৈতিক উদ্দেশ্য নয়, সত্য উদ্ঘাটন ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠাই হওয়া উচিত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রধান লক্ষ্য। পরিশেষে ঢাকা প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দ বলেন, “সাংবাদিকতা কোনো চাঁদাবাজির হাতিয়ার নয়, একটি ছবি কোনো অপরাধের চূড়ান্ত প্রমাণ নয়, আর মব সৃষ্টি করে কাউকে অপরাধী বানানোর অধিকার কারও নেই।” তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অভিযোগের বিচার হতে হবে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অপপ্রচার কিংবা ব্যক্তিগত প্রতিহিংসার ভিত্তিতে নয়। সৎ ও পেশাদার সাংবাদিকদের মর্যাদা রক্ষা, অপসাংবাদিকতা ও কথিত ব্ল্যাকমেইল প্রতিরোধ, সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অবিলম্বে কার্যকর পদক্ষেপ কামনা করেন ঢাকা প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দ।
|
|
|
|
আজ কিছু কথা প্রকাশ করতেই হয়। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর অনেক নেতাকর্মী নিজেদের ত্যাগী হিসেবে পরিচয় দিতে শুরু করেছেন। আমতলী উপজেলার বিভিন্ন সাংবাদিকের প্রতিবেদনেও অনেকের রাজনৈতিক ত্যাগ-সংগ্রামের কথা উঠে এসেছে। তবে আমার দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনের অভিজ্ঞতা থেকে বলতে চাই, রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের সঙ্গে অনেকের অবস্থানও বদলাতে দেখেছি। যাঁদের একসময় আওয়ামী লীগের মিছিল-মিটিংয়ের সামনের সারিতে দেখা যেত, ৫ আগস্টের পর তাঁদেরই আবার বিএনপির মিছিল-মিটিংয়ে সামনে থেকে ত্যাগের কথা বলতে দেখা গেছে। এবার আসি মূল কথায়। আমতলী উপজেলা থেকে শুরু করে দেশের বিভিন্ন জেলা, উপজেলা ও কেন্দ্রীয় পর্যায়ের জাতীয়তাবাদী রাজনীতির অনেক নেতাকর্মীর ত্যাগ-সংগ্রাম কাছ থেকে দেখার সুযোগ হয়েছে আমার। তখনও আমি সাংবাদিকতা পেশায় সক্রিয় ছিলাম। দেশের বিভিন্ন এমপি-মন্ত্রীকে নিয়ে ধারাবাহিক প্রতিবেদন করেছি, তাঁদের জবাবদিহির আওতায় আনার চেষ্টা করেছি। এমনও হয়েছে, একদিকে আওয়ামী লীগের কর্মসূচি শেষ করে গভীর রাতে নয়াপল্টনে বিএনপির নেতাকর্মীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছি। কখনো নিজের পরিচয় গোপন রেখে সংবাদ প্রকাশ করেছি। মিরপুরের সাংবাদিক আবাসিক কলোনিতে আমার বাসায় বিএনপির অনেক নেতাকর্মীকে আশ্রয় দিয়েছি। এসব অভিজ্ঞতা আমার সাংবাদিকতা জীবনেরই অংশ। আজ আমার নিজ উপজেলা আমতলীর এমন একজন রাজনৈতিক নেতার কথা বলতে চাই, যাঁর রাজনৈতিক প্রতিকূলতা ও দুর্দিনের কিছু অভিজ্ঞতা আমি খুব কাছ থেকে দেখেছি। তিনি মেহেদী জামান রাকিব। তাঁর বিরুদ্ধে একের পর এক মামলা, হয়রানি ও গ্রেপ্তারের ঘটনার মধ্য দিয়ে কঠিন সময় পার করতে দেখেছি। কত রাত তাঁকে খোলা আকাশের নিচে কাটাতে হয়েছে, তার হিসাব আমার জানা নেই। কত দিন তাঁর বাড়ির সামনের ভাঙা পুলে দাঁড়িয়ে পাহারা দিয়েছি, তারও কোনো হিসাব নেই। উদ্দেশ্য ছিল একটাই—তিনি যেন অন্তত একটু শান্তিতে দুমুঠো ভাত খেতে পারেন, ভাবি ও সন্তানদের সঙ্গে কিছুটা সময় কাটাতে পারেন। কখনো হঠাৎ খবর আসত, রাকিব ভাই গ্রেপ্তার হয়েছেন। তাঁর কারাবাস ও নানা প্রতিকূলতার খবর শুনেছি, কিছু ঘটনা কাছ থেকেও দেখেছি। সেই সময়ের ভীতিকর পরিবেশে অনেক কিছু জানলেও প্রকাশ্যে বলার সাহস পাইনি। কারণ, তখন সত্য প্রকাশ করতে গিয়ে সাংবাদিকদেরও মামলা, হয়রানি, অপহরণ ও গুমের মতো গুরুতর ঝুঁকির মুখে পড়ার আশঙ্কা ছিল। সাংবাদিকতার কলম যেন নানা বাধায় বন্দী হয়ে পড়েছিল। আজ রাজনৈতিক পরিস্থিতি বদলেছে। কিন্তু আমার বিশ্বাস, রাজনীতিতে কারও ত্যাগ-সংগ্রামের মূল্যায়ন করতে হলে শুধু বর্তমান অবস্থান দেখলে চলবে না; দেখতে হবে তাঁর অতীত, দুঃসময়ের ভূমিকা এবং প্রতিকূলতার মধ্যে তিনি কীভাবে দিন পার করেছেন। ত্যাগের প্রকৃত মূল্যায়ন হোক ইতিহাস, অভিজ্ঞতা ও সত্যের ভিত্তিতে—শুধু রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের সঙ্গে বদলে যাওয়া পরিচয়ে নয়। আজ এ পর্যন্তই। অন্য কোনো দিন লিখব আমার পরিচিত জাতীয়তাবাদী রাজনীতির আরও কিছু নেতাকর্মীর ত্যাগ, সংগ্রাম ও দুঃসময়ের অভিজ্ঞতার কথা।
— মৃধা বেলাল সাংবাদিক ও কলাম লেখক
|
|
|
|
|
আমতলী কোর্ট প্রতিনিধি,মহিবুল্লাহ।
বরগুনার আমতলী সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত এ অঞ্চলের বিচারব্যবস্থার ইতিহাস ও ঐতিহ্যের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। দীর্ঘ পথপরিক্রমায় আদালতটি আমতলী ও তালতলীর মানুষের বিচারিক সেবা পাওয়ার অন্যতম কেন্দ্র হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। ঐতিহাসিক তথ্য অনুযায়ী, ১৯৮২ সালে আমতলী সরকারি কলেজের অডিটোরিয়ামে প্রথম ম্যাজিস্ট্রেট ও মুন্সেফ আদালতের কার্যক্রম শুরু হয়। পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন প্রশাসনিক পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে আদালতের কার্যক্রম এগিয়ে চলে। ২০০৭ সালে বিচার বিভাগ পৃথকীকরণের পর বিচারিক কার্যক্রমে নতুন অধ্যায় সূচিত হয়। আদালতটি শুধু বিচার পরিচালনার প্রতিষ্ঠান নয়; এটি স্থানীয় মানুষের ন্যায়বিচার, আইনের শাসন ও অধিকার প্রতিষ্ঠার গুরুত্বপূর্ণ আশ্রয়স্থল। ইতিহাস-ঐতিহ্য সংরক্ষণের পাশাপাশি আধুনিক অবকাঠামো ও নিরাপদ বিচারিক পরিবেশ নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি। আমতলী আদালতের ঐতিহ্য অটুট থাকুক, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হোক—এটাই এলাকাবাসীর প্রত্যাশা।
|
|
|
|
|
আমতলী কোর্ট প্রতিনিধি,মহিবুল্লাহ।
বরগুনার আমতলী সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত এ অঞ্চলের বিচারব্যবস্থার ইতিহাস ও ঐতিহ্যের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। দীর্ঘ পথপরিক্রমায় আদালতটি আমতলী ও তালতলীর মানুষের বিচারিক সেবা পাওয়ার অন্যতম কেন্দ্র হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। ঐতিহাসিক তথ্য অনুযায়ী, ১৯৮২ সালে আমতলী সরকারি কলেজের অডিটোরিয়ামে প্রথম ম্যাজিস্ট্রেট ও মুন্সেফ আদালতের কার্যক্রম শুরু হয়। পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন প্রশাসনিক পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে আদালতের কার্যক্রম এগিয়ে চলে। ২০০৭ সালে বিচার বিভাগ পৃথকীকরণের পর বিচারিক কার্যক্রমে নতুন অধ্যায় সূচিত হয়। আদালতটি শুধু বিচার পরিচালনার প্রতিষ্ঠান নয়; এটি স্থানীয় মানুষের ন্যায়বিচার, আইনের শাসন ও অধিকার প্রতিষ্ঠার গুরুত্বপূর্ণ আশ্রয়স্থল। ইতিহাস-ঐতিহ্য সংরক্ষণের পাশাপাশি আধুনিক অবকাঠামো ও নিরাপদ বিচারিক পরিবেশ নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি। আমতলী আদালতের ঐতিহ্য অটুট থাকুক, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হোক—এটাই এলাকাবাসীর প্রত্যাশা।
|
|
|
|
নিজস্ব প্রতিবেদক :
সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা ও মর্যাদা নিশ্চিত, স্বাধীনভাবে দায়িত্ব পালনের পরিবেশ সৃষ্টি, সাংবাদিকদের মধ্যে ঐক্য সুদৃঢ় এবং গণমাধ্যমের দায়িত্বশীল ভূমিকা নিশ্চিত করার প্রত্যয়ে রাজধানীতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে পালিত হয়েছে জাতীয় দৈনিক মাতৃজগত পত্রিকার ২৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর মিরপুর ন্যাশনাল কলেজের অডিটোরিয়ামে দিনব্যাপী আয়োজনে আলোচনা সভা, দোয়া ও মোনাজাত, কেক কাটা, বিশেষ সম্মাননা প্রদান এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে রাজনীতিবিদ, বিভিন্ন গণমাধ্যমের সম্পাদক ও প্রকাশক, সাংবাদিক, আইনজীবী, পুলিশ কর্মকর্তা, ব্যবসায়ী, সমাজকর্মী, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বিশিষ্টজন অংশ নেন। অনুষ্ঠানের শুরুতেই সাংবাদিকদের নিরাপত্তা ও পেশাগত মর্যাদার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে উঠে আসে। আলোচনায় বক্তারা বলেন, সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে সাংবাদিকদের যেন কোনো ধরনের ভয়, চাপ, হয়রানি কিংবা অনিরাপদ পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে না হয়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। সভাপতি খান সেলিম রহমান বলেন, দৈনিক মাতৃজগতের ২৩ বছরের পথচলা সাংবাদিক, পাঠক ও শুভানুধ্যায়ীদের ভালোবাসা ও সহযোগিতার সঙ্গে সম্পৃক্ত। একটি গণমাধ্যমের দীর্ঘ পথচলা শুধু প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; এর সঙ্গে সমাজ ও মানুষের প্রতি দায়িত্বও জড়িয়ে থাকে। তিনি ভবিষ্যতেও বস্তুনিষ্ঠ ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার ধারা অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। আয়োজক কমিটির আহবায়ক ও ঢাকা প্রেসক্লাবের সভাপতি আওরঙ্গজেব কামাল বলেন, সাংবাদিকদের পেশাগত মর্যাদা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সাংবাদিক সমাজকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। মতপার্থক্য থাকতে পারে, কিন্তু পেশাগত স্বার্থে সাংবাদিকদের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও ঐক্য বজায় রাখা জরুরি। সাংবাদিকদের নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করা গেলে গণমাধ্যম আরও শক্তিশালীভাবে মানুষের কথা তুলে ধরতে পারবে। অনুষ্ঠানে বিএনপি`র মহানগর উত্তরের যুগ্ন আহবায়ক এ বি এম এ রাজ্জাক বলেন, বর্তমান সরকার সাংবাদিকদের কল্যাণে বিশেষ নজর রেখেছেন। এবং সাংবাদিকদের স্বাধীন সাংবাদিকতা নিশ্চিত করতে কাজ করে যাচ্ছেন। এ সময় তিনি আরো বলেন, সাংবাদিকরা সমাজের নানা অনিয়ম, অসংগতি ও মানুষের অধিকার নিয়ে কাজ করেন। ফলে দায়িত্ব পালনের সময় তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। সাংবাদিক ও গণমাধ্যমের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের মধ্যে সমন্বয় থাকলে সমাজে গণমাধ্যমের ইতিবাচক ভূমিকা আরও বাড়বে। রাজনীতিবিদ শামসুল মোস্তফা শামিম মজুমদার বলেন, বিএনপি যতবার ক্ষমতায় এসেছে দেশের উন্নয়ন ঘটেছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতীয় সংঘের অনুষ্ঠানের দিকে নজর দিলে বাংলাদেশ কতটা বিশ্বের দরবারে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছে তা বোঝা যায়। এ সময় তিনি আরো বলেন,সাংবাদিকদের পেশাগত ঐক্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ব্যক্তিগত বা সাংগঠনিক মতপার্থক্য থাকলেও সাংবাদিকদের পেশাগত স্বার্থে একে অপরের প্রতি সম্মান দেখাতে হবে। গণমাধ্যমকে মানুষের কথা বলার পাশাপাশি সমাজের প্রতিও দায়িত্বশীল থাকতে হবে। অনুষ্ঠানে জাতীয় প্রেসক্লাবের সদস্য ও দৈনিক পাঞ্জেরী সম্পাদক তালুকদার রুমি বলেন, বর্তমান সরকার মানুষের অধিকার আদায়ে কাজ করে যাচ্ছে। এ সময় তিনি আরো বলেন,সাংবাদিকতার মূল শক্তি হচ্ছে সত্য, বস্তুনিষ্ঠতা ও দায়িত্বশীলতা। সংবাদ সংগ্রহ ও প্রকাশের ক্ষেত্রে পেশাগত নীতি অনুসরণের পাশাপাশি সাংবাদিকদের নিরাপত্তার বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা প্রয়োজন। সাংবাদিকদের মর্যাদা রক্ষায় গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠান ও সাংবাদিক সংগঠনগুলোর সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। অনুষ্ঠানে প্রেসক্লাব ফেডারেশনের মহাসচিব শেখ মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, সাংবাদিকদের মধ্যে ঐক্য যত সুদৃঢ় হবে, পেশাগত অধিকার ও নিরাপত্তার বিষয়গুলো তত শক্তভাবে সামনে আনা সম্ভব হবে। সাংবাদিকদের নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। এ সময় মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান আহমেদ আবু জাফর বলেন, মাঠপর্যায়ের সাংবাদিকরা প্রতিনিয়ত নানা প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে সংবাদ সংগ্রহ করেন। অনেক সময় ঝুঁকি নিয়ে তাদের দায়িত্ব পালন করতে হয়। সাংবাদিক নির্যাতন ও হয়রানি প্রতিরোধে কার্যকর উদ্যোগের পাশাপাশি সাংবাদিকদের পেশাগত অধিকার ও নিরাপত্তা রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ অবস্থান প্রয়োজন। ঢাকা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ও সাংবাদিক সুরক্ষা কল্যাণ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মোঃ দেলোয়ার হোসেন বলেন, সাংবাদিকদের সুরক্ষা শুধু কোনো ব্যক্তি বা সংগঠনের বিষয় নয়; এটি পুরো গণমাধ্যম অঙ্গনের বিষয়। সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সাংবাদিক সংগঠন, গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠান, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সমন্বিত ভূমিকা প্রয়োজন। এম এ এ সৌরভ খান বলেন, দৈনিক মাতৃজগত ২৩ বছর ধরে পাঠকের কাছে সংবাদ পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্ব পালন করে আসছে। এই দীর্ঘ পথচলায় সাংবাদিক, পাঠক ও শুভানুধ্যায়ীদের অবদান রয়েছে। আগামী দিনেও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার মাধ্যমে মানুষের কথা তুলে ধরার প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।লায়ন মো. হেলাল উদ্দিন হিলু বলেন, সাংবাদিকদের পেশাগত মর্যাদা ও কল্যাণে পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়াতে হবে। সাংবাদিক সমাজের মধ্যে ঐক্য ও সহযোগিতা যত বাড়বে, তাদের বিভিন্ন সমস্যা ও দাবি নিয়ে কার্যকরভাবে কাজ করার সুযোগ তত বৃদ্ধি পাবে। এ সময় আয়োজক কমিটির সদস্য সচিব মো: শিহাব উদ্দিন বলেন, আমরা সব সময় সাংবাদিকদের কল্যাণে কাজ করে চলেছি এখন প্রয়োজন সকলের সহযোগিতা। সকলে ঐক্যবদ্ধ থাকলে আমরা অবশ্যই সে লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারবো। দৈনিক মাতৃ জগত পত্রিকার ২৩ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে দ্বিতীয় পর্বের অনুষ্ঠানে অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জাতীয় দৈনিক মাতৃজগত-এর সম্পাদক ও সেন্ট্রাল প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি খান সেলিম রহমান। অনুষ্ঠান উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক ও ঢাকা প্রেসক্লাবের সভাপতি আওরঙ্গজেব কামাল-এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমের সম্পাদক, প্রকাশক ও সাংবাদিকসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিরা অংশগ্রহণ করেন। পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। এরপর সাংবাদিকদের নিরাপত্তা, পেশাগত মর্যাদা, স্বাধীনভাবে দায়িত্ব পালনের পরিবেশ, সাংবাদিকদের মধ্যে ঐক্য এবং গণমাধ্যমের দায়িত্বশীল ভূমিকা নিয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও মিরপুর ন্যাশনাল কলেজের সভাপতি এ বি এম এ রাজ্জাক, বাংলাদেশ জাতীয় নিউজ ক্লাবের প্রধান উপদেষ্টা ও রাজনীতিবিদ শামসুল মোস্তফা শামিম মজুমদার, জাতীয় প্রেসক্লাবের সদস্য ও দৈনিক পাঞ্জেরী-এর সম্পাদক তালুকদার রুমি, প্রেসক্লাব ফেডারেশনের মহাসচিব ও দৈনিক ফলাফল-এর প্রকাশক ও সম্পাদক শেখ মুস্তাফিজুর রহমান, রূপনগর থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ নোমান হোসেন, মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি আহমেদ আবু জাফর, ঢাকা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ও সাংবাদিক সুরক্ষা ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মোঃ দেলোয়ার হোসেন, দৈনিক সবুজ বিপ্লব-এর ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক এস এম বদরুল আলম, দৈনিক খবরের আলো-এর সম্পাদক মো. আমিনুজ্জামান আমির, দৈনিক জনজাগরণ-এর সম্পাদক মো. মিহাব উদ্দিন, দৈনিক সোনালী খবর-এর সম্পাদক মো. মনিরুজ্জামান, দৈনিক অন্যায়ের চিত্র-এর সম্পাদক মো. শহিদুল ইসলাম, দৈনিক খবরের সময়-এর প্রকাশক মো. আব্দুল মান্নান ভূঁইয়া, দৈনিক মাতৃজগত-এর প্রধান সম্পাদক এম এ এ সৌরভ খান, আন্তর্জাতিক প্রেস ক্লাব ট্রাস্টের চেয়ারম্যান লায়ন মো. হেলাল উদ্দিন হিলু, ঢাকা প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি এ মান্নান, লায়ন্স ক্লাবের চেয়ারম্যান খান আখতারুজ্জামান, হিউম্যান এইড ইন্টারন্যাশনালের প্রতিষ্ঠাতা মহাসচিব সোহেলী পারভীন প্রমুখ। এ ছাড়া অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মাহিদুল হাসান সরকার, বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেস ক্লাবের উপদেষ্টা অধ্যক্ষ মো. এ বি এম জহিরুল আমিন, এ আর হিউম্যান ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মো. ফকরুল ইসলাম, দৈনিক মাতৃজগত-এর নির্বাহী সম্পাদক মোজাম্মেল হোসেন বাবু, বার্তা সম্পাদক মোঃ শফিকুল ইসলাম, সহ-সম্পাদক ও বাংলাদেশ জাতীয় নিউজ ক্লাবের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রফিকুল ইসলাম, বাংলাদেশ পলিটিক্যাল রিপোর্টার্স ফোরামের সাবেক সভাপতি আলম হোসেন খান, মিরপুর থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক এইচ এম রুস্তম আলী, তুরাগ থানা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল আলী, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক নাসির আহমেদ, হিউম্যান এইড ইন্টারন্যাশনালের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট কিশোরী পারভীন, ভাইস প্রেসিডেন্ট সাজ্জাদ হোসেন খান, মিরপুর থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক এম এম রুবেল আলী, সিনিয়র যুগ্ম-আহ্বায়ক নূরনবী ফরাজী মুক্তার, সদস্য সচিব মো. আওলাদ হোসেন, ঢাকা মহানগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি আসাদুজ্জামান, সেন্ট্রাল প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি মোঃ সোহেল রানাসহ বিভিন্ন পর্যায়ের সাংবাদিক ও অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন। অতিথিদের তালিকায় আরও ছিলেন সিআইডির মিরপুর-পল্লবী নিবিড় ক্যাম্পের পুলিশ ইন্সপেক্টর ও ইনচার্জ মো. জাহাঙ্গীর হোসেন, চলচ্চিত্র প্রযোজক, পরিচালক ও অভিনেত্রী রোকেয়া সুলতানা কেয়া চৌধুরী, বিটিভির কণ্ঠশিল্পী রোজিনা আক্তার, অ্যাডভোকেট নুরুল আলম, সাংবাদিক আতাউর রহমান, মো. আজহার আলী, জাহাঙ্গীর আলম রাজু, মোঃ হেকমত আলী, মো. রফিকুল ইসলাম, সাংবাদিক মুন্না, সুমনসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার ব্যক্তিবর্গ। আলোচনায় বক্তারা বলেন, একটি গণমাধ্যমের দীর্ঘদিনের পথচলা শুধু প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। এর সঙ্গে পাঠক, সাংবাদিক ও সমাজের প্রতি দায়িত্ববোধ জড়িত। সংবাদ প্রকাশে বস্তুনিষ্ঠতা, সত্যনিষ্ঠা ও দায়িত্বশীলতার পাশাপাশি সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তারা বলেন, সাংবাদিকরা মাঠপর্যায়ে নানা প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে সংবাদ সংগ্রহ করেন। তাই সাংবাদিকদের নিরাপত্তা ও পেশাগত মর্যাদা রক্ষায় গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠান, সাংবাদিক সংগঠন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সমন্বিত ভূমিকা প্রয়োজন। সাংবাদিকদের মধ্যে বিভাজন কমিয়ে পেশাগত স্বার্থে ঐক্য গড়ে তোলার ওপরও গুরুত্বারোপ করা হয়। আলোচনা সভা শেষে দেশ, জাতি, সাংবাদিক সমাজ ও গণমাধ্যমের কল্যাণ কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। পরে অতিথিদের অংশগ্রহণে কেক কাটার মধ্য দিয়ে দৈনিক মাতৃজগত-এর ২৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়।অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন রফিকুল ইসলাম কাজল ও সাংবাদিক পলাশ। অনুষ্ঠানের শেষপর্বে বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের জন্য বিশিষ্ট ব্যক্তিদের বিশেষ সম্মাননা প্রদান করা হয়। পরে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে দিনব্যাপী বর্ণাঢ্য আয়োজনের সমাপ্তি ঘটে। এর আগে পাকিস্তান থেকে বক্তব্য রাখেন, আন্তর্জাতিক প্রেসক্লাবের কেন্দ্র কমিটির সহ-সভাপতি শ্রীলংকা থেকে যুক্ত ছিলেন রাঙ্গা বান্দারানায়েকে,সভাপতি শ্রীলঙ্কা ওয়ার্কিং জার্নালিস্টস অ্যাসোসিয়েশন। নেপাল থেকে যুক্ত ছিলেন সংগঠনের সহ-সভাপতি কিরণ কুমার পোখরেল, সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মিয়ান ইশতিয়াক আলী পাকিস্তান থেকে যুক্ত ছিলেন, ভারত থেকে যুক্ত ছিলেন সাংগঠনিক সম্পাদক সমরেশ রায় ও মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা শম্পা দাস। বক্তারা বলেন আমরা বিশ্বব্যাপী সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ঐক্যবদ্ধ।
|
|
|
|
রিপোর্ট -মৃধা বেলাল
সাহসিকতা, সেবার মান ও অনন্য নজির, গুরুত্বপূর্ণ ও চাঞ্চল্যকর মামলার তদন্ত এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে রাষ্ট্রপতির পুলিশ পদক (পিপিএম)-সেবা পাচ্ছেন নারায়ণগঞ্জের পুলিশ সুপার(এসপি) মো. হাবিবুর রহমান। এর আগে তিনি মাদারীপুরের পুলিশ সুপার হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তার কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি এ পদকের জন্য মনোনীত হয়েছেন। উল্লেখ্য, গত ২১ সেপ্টেম্বর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের পুলিশ-২ শাখা থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়। তিনি মাদারীপুরের পুলিশ সুপার(এসপি) হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও অপরাধ দমনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন মো. হাবিবুর রহমান। অপরাধী শনাক্ত ও গ্রেপ্তার, অবৈধ অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার এবং মাদকবিরোধী অভিযানসহ বিভিন্ন কার্যক্রমে অবদানের জন্য তিনি এ স্বীকৃতি পাচ্ছেন। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালের জন্য চার ক্যাটাগরিতে মোট ৯২ জন পুলিশ সদস্যকে পদক দেওয়া হবে। ক্যাটাগরিগুলো হলো—বাংলাদেশ পুলিশ পদক (বিপিএম), বাংলাদেশ পুলিশ পদক (বিপিএম)-সেবা, রাষ্ট্রপতির পুলিশ পদক (পিপিএম) এবং রাষ্ট্রপতির পুলিশ পদক (পিপিএম)-সেবা। প্রসঙ্গত, ২০২৫ সালের ১ মার্চ থেকে ২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে সাহস ও বীরত্ব প্রদর্শন, সেবায় অনন্য নজির স্থাপন, গুরুত্বপূর্ণ ও চাঞ্চল্যকর মামলার তদন্ত এবং উদ্ভাবনীমূলক কর্মকাণ্ডের স্বীকৃতি হিসেবে এসব পদক দেওয়া হচ্ছে। পুলিশ সুপার (এসপি) মো. হাবিবুর রহমান গত ৩০ আগস্ট স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের এক প্রজ্ঞাপনে নারায়ণগঞ্জের পুলিশ সুপার(এসপি) হিসেবে পদায়ন পান। তিনি ২৪তম বিসিএসের কর্মকর্তা। এর আগে তিনি মাদারীপুর, মাগুরা ও ফেনী জেলার পুলিশ সুপার এবং বগুড়া রিজিয়নের হাইওয়ে পুলিশ সুপার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।যশোরের বাসিন্দা মো. হাবিবুর রহমান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সমাজকল্যাণ বিষয়ে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। নারায়ণগঞ্জ জেলার দায়িত্ব নেওয়ার পর আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও অপরাধ দমনে সক্রিয় ভূমিকা রাখছেন পুলিশ সুপার(এসপি) মো. হাবিবুর রহমান। যানজট নিয়ন্ত্রণ, অপরাধী শনাক্ত ও গ্রেপ্তার, অবৈধ অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার এবং মাদকবিরোধী অভিযানসহ বিভিন্ন কার্যক্রমে সরাসরি নেতৃত্ব দেওয়ায় তার ভূমিকা প্রশংসনীয় ভুমিকা পালন করে চলছেন।
|
|
|
|
জেলা প্রতিনিধি রাজবাড়ী
মোঃ জাহিদুর রহিম মোল্লা
রাজবাড়ী জেলায় দিন দিন হারিয়ে যাচ্ছে দেশীয় প্রজাতির মাছ। একসময় জেলার নদ নদী, খাল-বিল, পুকুর জলাশয়ে প্রচুর দেশি মাছের প্রাচুর্য থাকলেও বর্তমানে তা ক্রমশ বিলুপ্তির পথে। পানির স্বল্পতা, পরিবেশ দূষণ ও অপরিকল্পিত অধাবাদের ফলে এসব মাছ এখন প্রায় দেখা যায় না।
স্থানীয়রা জানান, এক সময় বাজারে পুটি, শিং, মাগুর, কৈ, টেংরা, টাকি, গুঁটি, শোল, গজার, বোয়াল, বাইম, চিংড়িসহ নানা প্রজাতির দেশি মাছ পাওয়া যেত। বর্তমানে এসব মাজ খুবই দুর্লভ। এক সময় চেনা এই মাছগুলো এখন পরবর্তী প্রজন্মের কাছে হয়ে উঠছে অচেনাজ রূপকথার গল্পের মতো।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দেশীয় মাছ হারিয়ে যাওয়ার পেছনে একাধিক কারণ রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে জলবায়ু পরিবর্তন, নদ-নদীর নাব্যতা হ্রাস, খাল-বিল ভরাট, মা মাছ ধ্বংস, ফসলি জমিতে বীটনাশকের ব্যবহার, ডোবা পুকুর থেকে মাছ ধরা, বিদেশি রাক্ষুসে মাছের চাষ, কারেন্ট জালের অপব্যবহার, প্রাকৃতিক অভয়ারণ্য ধংস, জলাশয় দূষণ এবং মা মাছ ডিম ছাড়ার আগেই ধরা ইত্যাদি।
স্থানীয় মৎস্যচাষিরা জানান, দেশীয় মাছ সংরক্ষণের কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেই। মাছের উৎপাদন বাড়াতে পুকুরে অতিরিক্ত সার প্রয়োগ ও মা মাছ নিধনের ফলে প্রজনন ব্যাহত হচ্ছে। মৎস্য বিভাগ থেকেও কার্যকর উদ্যোগ না থাকায় দেশীয় মাছের সংখ্যা দিন দিন কমে যাচ্ছে। অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক পরিতোষ সরকার বলেন, আমরা ছোটবেলায় শৌল, বোয়াল, গাজার, বাইম ধরেছি। এখন তো সেসব আর চোখেই পড়ে না। নদী-খাল ভরাট হওয়ায় মাছের বিচরণ ও প্রজননের জায়গা সংকুচিত হচ্ছে। এ ছাড়া ফিরোজ মোন্বার মাছুদ মোন্বার শশধর ঘোষ নিখিল বসু মোকাদ্দস মোল্লা সরজিত সরকার ফরহাদ হোসেন সহ
আরও বলেন, প্রজনন সময়ে অভয়াশ্রম ঘোষনা, বর্ষাকালে পোনা মাছ ছাড়া এবং সচেতনতা বাড়ালেই দেশি মাছের উৎপাদন ফিরিয়ে আনা সম্ভব। অন্যদিকে বাজারে এখন তেলাপিয়া, পাঙ্গাশ, কৈ, নাইলোটিকা, আফ্রিকান মাগুর, গ্রাস কার্প, সিলভার কাপসহ নানা বিদেশি প্রজাতির মাছের আধিপত্য। অধিক লাভজনক হওয়ায় অনেক মাছচাষি দেশীয় প্রজাতির পরিবর্তে হাইব্রিড ও বিদেশি মাছের দিকে ঝুঁকছেন। এতে একদিকে যেমন দেশি মাছ হারিয়ে যাচ্ছে, অন্যদিকে বাজারে ফরমালিনমিশ্রিত মাছের ভয়াবহ প্রভাব পড়ছে জনস্বাস্থ্যে।
মাছ বিক্রেতা শহিদ বিশ্বাস জানান, এখন বাজারে দেশি মাছের দেখা খুবই কম। মূলত যাই সরপুটি, পাঙ্গাশ, রুই-কাতলা, তেলাপিয়া ই বিক্রি হচ্ছে। এর মধ্যে অনেক মাছ আবার বিদেশ থেকে আমদানি করা হয়। দীর্ঘক্ষন তাজা রাখার জন্য ব্যবহার করা হয় ফরমালিন, যা স্বাস্থ্যের জন্য খুবই ক্ষতিকর।
সচেতন মহল মনে করছেন, দেশীয় মাছ রক্ষায় এখনই কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে আগামী প্রজন্ম এসব মাছ চিনতেই পারবে না। প্রয়োজন নদী-নালা খনন, জলাশয় সংরক্ষণ, মা মাছ রক্ষায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ, অভয়াশ্রম সৃষ্টি ও দেশি প্রজাতির মাছের চাষে সরকারি-বেসরকারি সমন্বিত উদ্যোগ। তথ্য ও সচেতনতাই পারে দেশীয় মাছ ফিরিয়ে আনতে এমনটাই আশা করছে প্রবীণ এলাকাবাসী।
|
|
|
|
এম সাজেদুল ইসলাম সাগর,
নবাবগঞ্জ( দিনাজপুর) প্রতিনিধি ;
দিনাজপুরে বিনোদন কেন্দ্র পিকনিক স্পট ‘স্বপ্নপুরী পার্ক’ থেকে ৭৪টি বন্যপ্রাণী জব্দ করেছে বন অধিদপ্তরের বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিট ও সামাজিক বন বিভাগ।
২৬ জানুয়ারি দিনব্যাপী বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিট ও দিনাজপুর সামাজিক বন বিভাগ যৌথ অভিযানে নবাবগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত স্বপ্নপুরী পার্ক ও মিনি চিড়িয়াখানায় বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন, ২০১২-এর লঙ্ঘনের অভিযোগে পার্কে অবৈধভাবে আটকে রাখা বিভিন্ন প্রজাতির ৭৪টি বন্যপ্রাণী জব্দ করা হয়েছে।
বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিটের পরিচালক ছানাউল্ল্যা পাটওয়ারীর সার্বিক দিক নির্দেশনায় বন্যপ্রাণী পরিদর্শক আব্দুল্লাহ আস সাদিক এবং বন্যপ্রাণী পরিদর্শক অসীম মল্লিকের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়।
এ অভিযানে আরও উপস্থিত ছিলেন সামাজিক বন বিভাগ দিনাজপুরের সহকারী বন সংরক্ষক মিজ নুরুন্নাহার, রেঞ্জার আব্দুল মান্নান, হেলালসহ বন অধিদপ্তরের অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। অভিযানের সময় নবাবগঞ্জ থানার আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তাদের সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করেন।
অভিযানে জব্দ করা প্রাণীদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলোÑ হুলক গিবন, এশিয়াটিক ব্ল্যাক বিয়ার, ক্যাপড ল্যাঙ্গুর, গ্রেটার হর্নবিল, লজ্জাবতী বানর, ভোঁদড়, এবং বেশ কিছু সাপ ও কচ্ছপ। এদের মধ্যে কিছু প্রাণী শারীরিকভাবে আহত অবস্থায় পাওয়া গেছে।
অভিযান দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়, স্বপ্নপুরী পার্কে দীর্ঘদিন ধরে এসব বন্যপ্রাণী আইনবহির্ভূতভাবে প্রদর্শন করা হচ্ছিল। বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইনের আওতায় এ বিষয়ে প্রাথমিক তদন্ত শেষে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিটের কর্মকর্তারা জানান, জব্দ করা প্রাণীদের উদ্ধার করে তাদের পুনর্বাসনের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। স্থানীয় জনগণকে বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে আরও সচেতন হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
এ বিষয়ে পার্কের সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে কোনো বৈধ অনুমতি প্রদর্শন করা সম্ভব হয়নি। অভিযানের পর পার্কের ব্যবস্থাপককে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে এবং এ বিষয়ে তদন্ত চলছে। বন্যপ্রাণীর টর্চারস সেল নামক পরিচিত মেনে চিড়িয়াখানা বন্ধে ও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে জানান অভিযানের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা।
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসানের নির্দেশে এ অভিযান চালানো হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।
|
|
|
|
|
নাদিয়া রিফাত যখন ছিলো আমার দিন ভালো , ছিলো তখন আমার ঘরে আলো। ছিলাম আমি তখন দুধে ভাতে, ধন সম্পদ ছিলো আমার হাতে। সবার আপন তখন যে আমি , ভাবতো আমায় সবাই যে দামী। ধন সম্পদ সব গেল ফুরিয়ে , মানুষের রুপ যে এলো বেড়িয়ে । কেউ আর আসেনা আমার ঘরে, পথে আমায় দেখলে যায় সরে । অশুসিক্ত নয়নে বলি, হে রব টাকায় কী তবে দুনিয়ার সব ?
|
|
|
|
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ভয় নেই শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আগামী নির্বাচনে বিজয়ের বন্দরে পৌঁছাবে আওয়ামী লীগ। তিনি বলেন, এ দেশকে কখনোই পাকিস্তানের হাতে তুলে দেয়ার মত পরিস্থিতি হতে দেবে না দল।রোববার (০৬ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টায় প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবনে শুরু হওয়া আওয়ামী লীগের ‘বিশেষ বর্ধিত সভায়’ নেতাকর্মীদের উদ্দেশে এ কথা বলেন তিনি।এসভায় সভাপতিত্ব করছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।ওবায়দুল কাদের বলেন, ষড়যন্ত্র আবারও শুরু হয়েছে, আবারও সন্ত্রাসী কার্যক্রমও চালানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। বাংলাদেশ শত প্রতিকূলতার মাঝেও ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করেছে। শেখ হাসিনা কারও কাছে মাথা নত করেন না। ভয় পাবেন না৷ ভয় পাওয়ার কোনো কারণ নেই। বিএনপির কিছু লোকজন দেখে ভয়ের কিছু নেই। তাদের চেয়ে আমাদের লোকবল অনেক বেশি। ভয় নেই শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আগামী নির্বাচনে বিজয়ের বন্দরে পৌঁছাবে আওয়ামী লীগ।
গণভবনে বর্ধিত সভায় ওবায়দুল কাদের আরও বলেন, দেশকে কখনোই পাকিস্তানের বন্ধুদের হাতে তুলে দেয়া হবে না।
বিশেষ বর্ধিত সভায় আওয়ামী লীগের জাতীয় কমিটি, কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদ, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যবৃন্দ, জেলা/মহানগর ও উপজেলা/থানা/পৌর (জেলা সদরে অবস্থিত পৌরসভা) আওয়ামী লীগের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকরা, জাতীয় সংসদের দলীয় সদস্যবৃন্দ, জেলা পরিষদ ও উপজেলা পরিষদের দলীয় চেয়ারম্যানরা, সিটি করপোরেশন ও পৌরসভার দলীয় মেয়ররা এবং সহযোগী সংগঠনসমূহের কেন্দ্রীয় সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকরা উপস্থিত রয়েছেন।
এর আগে গতকাল শনিবার (৫ আগস্ট) দলের দফতর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ সভার কথা জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বিশেষ বর্ধিত সভায় সংশ্লিষ্ট সকলকে যথাসময়ে উপস্থিত থাকার জন্য অনুরোধ জানান।
|
|
|
|
|
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও তার স্ত্রী জুবাইদা রহমানের বিরুদ্ধে দুদকের মামলায় সাজার প্রতিবাদে সুনামগঞ্জে কালো পতাকা নিয়ে বিক্ষোভ মিছিল করেছে আইনজীবী ফোরাম।
রোববার (৬ আগস্ট) সকালে সুনামগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির ভবনের সামনে থেকে সুনামগঞ্জ জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম কালো পতাকা হাতে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করে আদালত প্রাঙ্গণের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় সমিতি ভবনের সামনে এসে সমাবেশ করেন।
এ সময় সমাবেশে বক্তব্য রাখেন সুনামগঞ্জ জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সভাপতি অ্যাডভোকেট মাসুক আলম, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মো. আব্দুল হক, জেলা বিএনপির সহসভাপতি অ্যাডভোকেট তৈয়বুর রহমান বাবুল, অ্যাডভোকেট শেরেনুর আলী, অ্যাডভোকেট জিয়াউর রহিম শাহিন প্রমুখ।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, সরকারে পায়ের নিচে মাঠি নেই। তাই নিশ্চিত পরাজয় জেনে তড়িঘড়ি করে তারেক রহমান ও জুবাইদা রহমানের বিরুদ্ধে মিথ্যা একটি মামলায় আদালতকে প্রভাবিত করে বেআইনি সাজা প্রদান করা হয়েছে। এ সরকারের পতন সুনিশ্চিত।
বক্তারা আরও বলেন, বিএনপি সরকার ক্ষমতায় এলে ২৪ ঘন্টার মধ্যে এসব মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করা হবে।
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
| |
| |
|
|
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ এম.এ মান্নান নির্বাহী সম্পাদক: মো: রাসেল মোল্লা
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : মৃধা বেলাল
নির্বাহী সম্পাদক : মো: রাসেল মোল্লা
সহ সম্পাদক : জাহাঙ্গীর আলম ।
ফোন: বার্তা বিভাগ : 88 01927555138, সম্পাদক ও প্রকাশক: 01980716232
ঠিকানাঃ বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়- নারায়ণগঞ্জ, সম্পাদকীয় কার্যালয়- জাকের ভিলা, হাজী মিয়াজ উদ্দিন স্কয়ার মামুদপুর, ফতুল্লা, নারায়ণগঞ্জ। শাখা অফিস : নিজস্ব ভবন, সুলপান্দী, পোঃ বালিয়াপাড়া, আড়াইহাজার, নারায়ণগঞ্জ-১৪৬০, রেজিস্ট্রেশন নং 134 / নিবন্ধন নং 69 মোবাইল : 01731190131,E-mail- notunbazar2015@gmail.com, E-mail : mannannews0@gmail.com, web: notunbazar71.net,
|
|
| |
|