|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
| |
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল আলোকিত করবে সরকারের পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্প
দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের কৃষি, অর্থনীতি, পরিবেশ ও জনজীবনে আমূল পরিবর্তনের স্বপ্ন দেখাচ্ছে সরকারের মেগা প্রকল্প ‘পদ্মা ব্যারাজ’। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে শুষ্ক মৌসুমে পানির সংকট দূর, নদ-নদীর নাব্যতা বৃদ্ধি, লবণাক্ততা হ্রাস এবং কৃষি ও মৎস্য উৎপাদনে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হবে। একই সঙ্গে জলাবদ্ধতা, বন্যা ও নদীভাঙন মোকাবিলায় তৈরি হবে নতুন সুযোগ। সরকারের আশা, পদ্মা ব্যারাজ বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের কয়েক কোটি মানুষের জীবনযাত্রায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রকল্পটি সফলভাবে বাস্তবায়িত হলে কৃষি, মৎস্য, কর্মসংস্থান, নৌ-যোগাযোগ ও পরিবেশ সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। ৭ কোটি মানুষ সরাসরি উপকৃত হওয়ার সম্ভাবনা পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, পদ্মা ব্যারাজ বাস্তবায়িত হলে দেশের চার বিভাগের ১৯টি জেলার ১২০টি উপজেলার প্রায় ৭ কোটি মানুষ প্রত্যক্ষভাবে উপকৃত হবেন। পাশাপাশি কয়েক লাখ মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রাক্কলন অনুযায়ী, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে বছরে প্রায় ২ লাখ ৫০ হাজার টন মাছের উৎপাদন বাড়তে পারে। সব মিলিয়ে বছরে প্রায় ৭ হাজার ১২৭ কোটি টাকার অর্থনৈতিক সুবিধা পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ব্যয় ৩৪ হাজার ৪৯৭ কোটি টাকা গত ১৩ মে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় পদ্মা ব্যারাজের প্রথম পর্যায়ের প্রকল্পটি অনুমোদন দেওয়া হয়। এতে ব্যয় ধরা হয়েছে ৩৪ হাজার ৪৯৭ কোটি ২৫ লাখ টাকা। প্রকল্পের অর্থায়ন হবে সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে। প্রকল্পের মূল অবকাঠামো নির্মাণ করা হবে রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলায়। পদ্মা নদীর ওপর প্রায় ২ দশমিক ১ কিলোমিটার দীর্ঘ ব্যারাজ নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। এতে থাকবে ৭৮টি পানিনিষ্কাশন কপাট, ১৮টি তলদেশ নির্গমন পথ, দুটি ফিশ পাস, নৌ-লক, গাইড বাঁধ ও অ্যাপ্রোচ বাঁধ। এ ছাড়া প্রায় ২ হাজার ৯০০ মিলিয়ন ঘনমিটার পানি সংরক্ষণ এবং ১১৩ মেগাওয়াট জলবিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিকল্পনাও রয়েছে। আগামী ফেব্রুয়ারিতে দৃশ্যমান কাজের উদ্বোধনের আশা গত ২৫ অক্টোবর পাবনার সুজানগর উপজেলার সাতবাড়িয়া কাঞ্চনপার্ক এলাকায় প্রস্তাবিত পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্পের স্থান পরিদর্শন করেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ। এ সময় তিনি জানান, সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে প্রধানমন্ত্রী প্রকল্পটির দৃশ্যমান কাজের উদ্বোধন করবেন। প্রকল্পের প্রথম পর্যায়ের কাজ ২০২৬ সালের জুলাই থেকে ২০৩৩ সালের জুনের মধ্যে বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে। সুন্দরবন রক্ষায়ও রাখবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা বিশেষজ্ঞদের মতে, শুষ্ক মৌসুমে পদ্মার পানিপ্রবাহ কমে যাওয়ায় দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের বিভিন্ন নদ-নদীতে লবণাক্ততা বৃদ্ধি পাচ্ছে। এতে কৃষি, মৎস্যসম্পদ, জীববৈচিত্র্য ও সুপেয় পানির প্রাপ্যতা হুমকির মুখে পড়ছে। সুন্দরবনের পরিবেশগত ভারসাম্যও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। পদ্মা ব্যারাজের মাধ্যমে বর্ষার পানি সংরক্ষণ করে শুষ্ক মৌসুমে প্রয়োজন অনুযায়ী সরবরাহ করা সম্ভব হলে গড়াই-মধুমতী, হিসনা-মাথাভাঙ্গা, চন্দনা-বারাশিয়াসহ বিভিন্ন নদ-নদীর পানিপ্রবাহ পুনরুজ্জীবিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে প্রকল্প বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ, পলি জমা, নদীভাঙন ও পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষার বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। সব মিলিয়ে পদ্মা ব্যারাজ শুধু একটি অবকাঠামোগত প্রকল্প নয়; এটি দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের কৃষি, অর্থনীতি, পরিবেশ ও জনজীবন রক্ষার একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ। যথাযথ পরিকল্পনা ও সফল বাস্তবায়ন হলে এ প্রকল্প খুলনা, বরিশালসহ দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মানুষের জন্য নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দিতে পারে।
তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)
ইনভেস্টিগেশন বাংলাদেশ ডেস্ক
খবরের ভেতরের খবর তুলে ধরি।
|
দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের কৃষি, অর্থনীতি, পরিবেশ ও জনজীবনে আমূল পরিবর্তনের স্বপ্ন দেখাচ্ছে সরকারের মেগা প্রকল্প ‘পদ্মা ব্যারাজ’। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে শুষ্ক মৌসুমে পানির সংকট দূর, নদ-নদীর নাব্যতা বৃদ্ধি, লবণাক্ততা হ্রাস এবং কৃষি ও মৎস্য উৎপাদনে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হবে। একই সঙ্গে জলাবদ্ধতা, বন্যা ও নদীভাঙন মোকাবিলায় তৈরি হবে নতুন সুযোগ। সরকারের আশা, পদ্মা ব্যারাজ বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের কয়েক কোটি মানুষের জীবনযাত্রায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রকল্পটি সফলভাবে বাস্তবায়িত হলে কৃষি, মৎস্য, কর্মসংস্থান, নৌ-যোগাযোগ ও পরিবেশ সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। ৭ কোটি মানুষ সরাসরি উপকৃত হওয়ার সম্ভাবনা পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, পদ্মা ব্যারাজ বাস্তবায়িত হলে দেশের চার বিভাগের ১৯টি জেলার ১২০টি উপজেলার প্রায় ৭ কোটি মানুষ প্রত্যক্ষভাবে উপকৃত হবেন। পাশাপাশি কয়েক লাখ মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রাক্কলন অনুযায়ী, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে বছরে প্রায় ২ লাখ ৫০ হাজার টন মাছের উৎপাদন বাড়তে পারে। সব মিলিয়ে বছরে প্রায় ৭ হাজার ১২৭ কোটি টাকার অর্থনৈতিক সুবিধা পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ব্যয় ৩৪ হাজার ৪৯৭ কোটি টাকা গত ১৩ মে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় পদ্মা ব্যারাজের প্রথম পর্যায়ের প্রকল্পটি অনুমোদন দেওয়া হয়। এতে ব্যয় ধরা হয়েছে ৩৪ হাজার ৪৯৭ কোটি ২৫ লাখ টাকা। প্রকল্পের অর্থায়ন হবে সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে। প্রকল্পের মূল অবকাঠামো নির্মাণ করা হবে রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলায়। পদ্মা নদীর ওপর প্রায় ২ দশমিক ১ কিলোমিটার দীর্ঘ ব্যারাজ নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। এতে থাকবে ৭৮টি পানিনিষ্কাশন কপাট, ১৮টি তলদেশ নির্গমন পথ, দুটি ফিশ পাস, নৌ-লক, গাইড বাঁধ ও অ্যাপ্রোচ বাঁধ। এ ছাড়া প্রায় ২ হাজার ৯০০ মিলিয়ন ঘনমিটার পানি সংরক্ষণ এবং ১১৩ মেগাওয়াট জলবিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিকল্পনাও রয়েছে। আগামী ফেব্রুয়ারিতে দৃশ্যমান কাজের উদ্বোধনের আশা গত ২৫ অক্টোবর পাবনার সুজানগর উপজেলার সাতবাড়িয়া কাঞ্চনপার্ক এলাকায় প্রস্তাবিত পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্পের স্থান পরিদর্শন করেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ। এ সময় তিনি জানান, সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে প্রধানমন্ত্রী প্রকল্পটির দৃশ্যমান কাজের উদ্বোধন করবেন। প্রকল্পের প্রথম পর্যায়ের কাজ ২০২৬ সালের জুলাই থেকে ২০৩৩ সালের জুনের মধ্যে বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে। সুন্দরবন রক্ষায়ও রাখবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা বিশেষজ্ঞদের মতে, শুষ্ক মৌসুমে পদ্মার পানিপ্রবাহ কমে যাওয়ায় দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের বিভিন্ন নদ-নদীতে লবণাক্ততা বৃদ্ধি পাচ্ছে। এতে কৃষি, মৎস্যসম্পদ, জীববৈচিত্র্য ও সুপেয় পানির প্রাপ্যতা হুমকির মুখে পড়ছে। সুন্দরবনের পরিবেশগত ভারসাম্যও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। পদ্মা ব্যারাজের মাধ্যমে বর্ষার পানি সংরক্ষণ করে শুষ্ক মৌসুমে প্রয়োজন অনুযায়ী সরবরাহ করা সম্ভব হলে গড়াই-মধুমতী, হিসনা-মাথাভাঙ্গা, চন্দনা-বারাশিয়াসহ বিভিন্ন নদ-নদীর পানিপ্রবাহ পুনরুজ্জীবিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে প্রকল্প বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ, পলি জমা, নদীভাঙন ও পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষার বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। সব মিলিয়ে পদ্মা ব্যারাজ শুধু একটি অবকাঠামোগত প্রকল্প নয়; এটি দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের কৃষি, অর্থনীতি, পরিবেশ ও জনজীবন রক্ষার একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ। যথাযথ পরিকল্পনা ও সফল বাস্তবায়ন হলে এ প্রকল্প খুলনা, বরিশালসহ দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মানুষের জন্য নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দিতে পারে।
তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)
ইনভেস্টিগেশন বাংলাদেশ ডেস্ক
খবরের ভেতরের খবর তুলে ধরি।
|
|
|
|
|
নতুন বাজার ডেস্ক।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় কুষ্টিয়ায় ছয়জনকে হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২। একই মামলায় কুষ্টিয়া জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সদরউদ্দিন খান, সাধারণ সম্পাদক আজগর আলী ও শহর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান আতাকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন। মামলার চার আসামিই পলাতক। রায়ে আসামিদের সম্পত্তির অর্ধেক বাজেয়াপ্ত করে জুলাই শহীদদের পরিবারের মধ্যে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট কুষ্টিয়ায় গুলিতে ছয়জন নিহতের ঘটনায় উসকানি, ষড়যন্ত্র ও হত্যাকাণ্ডে সম্পৃক্ততার অভিযোগে তাঁদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়।
|
|
|
|
নিজস্ব প্রতিবেদক।
।‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মোঃ আলী হোসেন ফকিরের বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে গণমাধ্যমে প্রকাশিত বিভিন্ন সংবাদ ও শিরোনাম নিয়ে ব্যাখ্যা দিয়েছে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স।সোমবার (২৬ অক্টোবর ২০২৬) রাজধানীর চকবাজারে কমিউনিটি ব্যাংকের চকবাজার ইসলামিক ব্যাংকিং শাখা উদ্বোধন অনুষ্ঠানে আইজিপির দেওয়া বক্তব্যের বিষয়ে জনমনে বিভ্রান্তি নিরসনে এ ব্যাখ্যা দেওয়া হয়। পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের ব্যাখ্যা অনুযায়ী,আইজিপি মাদক কারবারি,সন্ত্রাসী,চাঁদাবাজ ও জননিরাপত্তার জন্য হুমকি সৃষ্টিকারী অপরাধীদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণে পুলিশের দৃঢ় অবস্থান তুলে ধরতে গিয়ে ‘ক্রসফায়ার’ শব্দটি রূপক অর্থে ব্যবহার করেছেন।বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড কিংবা বিচারিক প্রক্রিয়ার বাইরে কাউকে শাস্তি দেওয়ার অর্থে তিনি শব্দটি ব্যবহার করেননি বলে দাবি করেছে পুলিশ কর্তৃপক্ষ। পুলিশের ওপর হামলা: ১০ মাসে নিহত ৪, আহত ৩৭০ পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের বক্তব্যে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ পুলিশ রাষ্ট্রের প্রধান আইন প্রয়োগকারী সংস্থা হিসেবে অপরাধ দমন, অপরাধী গ্রেপ্তার,জনশৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব পালন করে। দায়িত্ব পালনকালে পুলিশ সদস্যদের কখনো অপরাধী, সংঘবদ্ধ হামলাকারী কিংবা আইন অমান্যকারী ব্যক্তিদের সরাসরি প্রতিরোধ ও আক্রমণের মুখোমুখি হতে হয় বলেও উল্লেখ করা হয়েছে। পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী,২০২৬ সালের প্রথম ১০ মাসে দায়িত্ব পালনকালে পুলিশের ওপর ১৭৬টি হামলার ঘটনা ঘটেছে।এসব হামলায় চারজন পুলিশ সদস্য নিহত হয়েছেন এবং ৩৭০ জন গুরুতর আহত হয়েছেন। পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের দাবি,দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, অপরাধী গ্রেপ্তার,অবৈধ কর্মকাণ্ড প্রতিরোধ এবং সরকারি দায়িত্ব পালনের সময় পুলিশ সদস্যদের নিরাপত্তার বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আত্মরক্ষার অধিকার আছে,তবে আইনের সীমার মধ্যে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের ব্যাখ্যায় আত্মরক্ষার অধিকারের বিষয়টিও তুলে ধরা হয়েছে।এ প্রসঙ্গে দণ্ডবিধি-১৮৬০, ফৌজদারি কার্যবিধি-১৮৯৮ এবং পুলিশ অ্যাক্ট-১৮৬১-এর উল্লেখ করেছে পুলিশ কর্তৃপক্ষ। তবে আইন প্রয়োগের ক্ষেত্রে একটি মৌলিক পার্থক্য রয়েছে—আত্মরক্ষার আইনগত অধিকার এবং বিচারবহির্ভূত শাস্তি এক বিষয় নয়। আত্মরক্ষার অধিকার প্রযোজ্য আইন ও পরিস্থিতির আলোকে বিবেচিত হয়।অন্যদিকে,কাউকে অপরাধী হিসেবে চিহ্নিত করা, অপরাধের দায় নির্ধারণ করা এবং শাস্তি প্রদান করা আইনানুগ বিচারিক প্রক্রিয়ার বিষয়। সুতরাং,অপরাধ দমনে পুলিশের কঠোর অবস্থান এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকারের পাশাপাশি আইন প্রয়োগের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয়তা,আনুপাতিকতা,জবাবদিহি ও মানবাধিকারের বিষয়গুলোও গুরুত্বপূর্ণ। সাংবাদিকদের বিষয়ে মন্তব্য নিয়েও ব্যাখ্যা একই অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের সম্পর্কে আইজিপির মন্তব্য নিয়েও বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স। পুলিশ কর্তৃপক্ষের ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে,আইজিপি সাংবাদিকদের সম্পর্কে ঢালাও কোনো মন্তব্য করতে চাননি। বিষয়টি অসাবধানতাবশত হয়েছে বলে ব্যাখ্যায় উল্লেখ করা হয়েছে। গণতান্ত্রিক সমাজে সাংবাদিকদের দায়িত্ব পালন,তথ্য সংগ্রহ এবং জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় তুলে ধরার ক্ষেত্রে স্বাধীনতা ও পেশাগত মর্যাদা গুরুত্বপূর্ণ।একই সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও গণমাধ্যমের মধ্যে পেশাদার সম্পর্ক,পারস্পরিক শ্রদ্ধা এবং জবাবদিহিমূলক যোগাযোগ জনস্বার্থে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে। ‘ক্রসফায়ার’ শব্দটি কেন সংবেদনশীল? বাংলাদেশের জনপরিসরে ‘ক্রসফায়ার’ শব্দটি দীর্ঘদিন ধরে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের অভিযোগ ও বিতর্কের সঙ্গে যুক্ত। ফলে আইন প্রয়োগের কঠোরতা বোঝাতে শব্দটি রূপক অর্থে ব্যবহার করা হলেও তা জনমনে ভিন্ন প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে অপরাধ দমন ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা যেমন জরুরি,তেমনি প্রত্যেক ব্যক্তির জীবন,মানবাধিকার এবং আইনের আশ্রয় পাওয়ার অধিকার রক্ষা করাও গুরুত্বপূর্ণ। এ কারণে এ ধরনের সংবেদনশীল শব্দ ব্যবহারের ক্ষেত্রে বক্তব্যের প্রেক্ষাপট,সুনির্দিষ্ট অর্থ এবং জনসাধারণের কাছে তার সম্ভাব্য ব্যাখ্যা বিবেচনায় নেওয়া প্রয়োজন। পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের ব্যাখ্যায় আইজিপির বক্তব্যের উদ্দেশ্য স্পষ্ট করার চেষ্টা করা হয়েছে।তবে বক্তব্যের প্রকৃত তাৎপর্য মূল্যায়নের ক্ষেত্রে অনুষ্ঠানে দেওয়া তাঁর মূল বক্তব্য ও সম্পূর্ণ প্রেক্ষাপট বিবেচনা করা গুরুত্বপূর্ণ। পুলিশের অঙ্গীকার পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের বক্তব্যের শেষাংশে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ পুলিশ মানবাধিকার সমুন্নত রেখে জনগণের জানমাল রক্ষা এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় পেশাদারত্ব ও নিরপেক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সার্বিকভাবে, ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে আইজিপির বক্তব্যের পর পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের ব্যাখ্যা আইন প্রয়োগে পুলিশের অবস্থান স্পষ্ট করার একটি প্রচেষ্টা।তবে জননিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি মানবাধিকার রক্ষা,আইনানুগ প্রক্রিয়া অনুসরণ এবং গণমাধ্যমের সঙ্গে দায়িত্বশীল সম্পর্ক বজায় রাখার বিষয়গুলোও সমান গুরুত্ব বহন করে। সম্পাদনা-সংক্রান্ত সতর্কতা: প্রতিবেদনটি আপনার সরবরাহ করা পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের বক্তব্যের ভিত্তিতে তৈরি। এখানে পুলিশের দেওয়া তথ্যকে পুলিশের বক্তব্য হিসেবেই উপস্থাপন করা হয়েছে; স্বাধীনভাবে যাচাই করা তথ্য হিসেবে নয়
|
|
|
|
-মৃধা বেলাল
আমি হারিয়ে যাইনি, আমি এসেছি—তোমাদের তরে, অন্যায়ের বিরুদ্ধে বুক চিতিয়ে দাঁড়াতে, নির্যাতিত মানুষের কান্নার ভাগ নিতে, অন্ধকারের বুকে সত্যের মশাল জ্বালাতে। আমি এসেছি— এক ধর্ষিতা শিশুর বাবার বুকফাটা আর্তচিৎকারের পাশে দাঁড়াতে, সন্তান হারানো মায়ের শূন্য বুকের নিঃশব্দ কান্নার ভাষা হতে। আমি এসেছি সেই বাবার চোখের জল মুছতে, যে বাবা আজও সন্তানের ফিরে আসার আশায় দরজার দিকে তাকিয়ে থাকে প্রতিটি প্রহরে। আমি এসেছি— সাংবাদিক সাগর-রুনি হত্যার বিচার চাইতে, আমি এসেছি মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খানের হত্যাকাণ্ডের বিচার চাইতে, আমি এসেছি সেই সব মানুষের কথা বলতে, যাদের আর্তনাদ ক্ষমতার দেয়ালে ধাক্কা খেয়ে বারবার ফিরে আসে নিঃশব্দ অন্ধকারে। আমি এসেছি— নিপীড়িত মানুষের কণ্ঠস্বর হতে, অসহায়ের পাশে দাঁড়াতে, দুর্নীতি, অনিয়ম আর অন্যায়ের বিরুদ্ধে কলমকে প্রতিবাদের অস্ত্র বানাতে। আমি এসেছি সত্যের পক্ষে দাঁড়াতে, মিথ্যার মুখোশ ছিঁড়ে দিতে, ভয় দেখিয়ে যাদের থামিয়ে রাখা হয়েছে, তাদের কণ্ঠে সাহসের আগুন জ্বালাতে। আমি জানি, এই পথ সহজ নয়, এ পথে আছে হুমকি, নির্যাতন, আছে অপমান আর অসংখ্য বাধা। তবুও আমি থামব না, কারণ আমার নীরবতা মানেই অন্যায়ের কাছে আত্মসমর্পণ, আমার কলম থেমে যাওয়া মানেই কোনো অসহায়ের আর্তনাদকে অন্ধকারে হারিয়ে যেতে দেওয়া। আমাকে ভয় দেখিয়ে লাভ নেই, আমাকে থামিয়ে রাখার সাধ্য কার? আমি তো একা নিজের জন্য আসিনি, আমি এসেছি মানুষের অধিকার ফিরিয়ে দিতে, আমি এসেছি সত্যের পক্ষে দাঁড়াতে, আমি এসেছি এই দেশটাকে আরও সুন্দর, নিরাপদ ও মানবিক করতে। মনে রেখো, আমি একা নই— আমার সঙ্গে আছে হাজারো বিবেক, লক্ষ মানুষের জমে থাকা ক্ষোভ, বিচারপ্রত্যাশী প্রতিটি পরিবারের দীর্ঘশ্বাস, আর অধিকার ফিরে পাওয়ার অদম্য স্বপ্ন। আমার কণ্ঠ থামলেও আরেকটি কণ্ঠ জেগে উঠবে, আমার কলম থামলেও আরেকটি কলম সত্য লিখবে। একটি প্রদীপ নিভিয়ে দিলে হাজার প্রদীপ জ্বলে উঠবে, একটি কণ্ঠ রুদ্ধ করলে লক্ষ কণ্ঠে প্রতিবাদ ধ্বনিত হবে। আমি হারিয়ে যাইনি, আমি ফিরে এসেছি— আরও দৃঢ় প্রত্যয়ে, আরও সাহসী উচ্চারণে, আরও তীব্র প্রতিবাদের ভাষা নিয়ে। আমি এসেছি অন্যায়ের বিরুদ্ধে, আমি এসেছি মানুষের অধিকারের পক্ষে, আমি এসেছি বিচারহীনতার অবসান চাইতে, আমি এসেছি রাষ্ট্রের প্রতিটি স্তরে জবাবদিহি ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার দাবি নিয়ে। আমি থামব না, আমি মাথা নত করব না, সত্যের প্রশ্নে আমি আপস করব না। যত দিন অন্যায় থাকবে, যত দিন মানুষের চোখে জল থাকবে, যত দিন বিচারপ্রার্থীর কণ্ঠে আকুল আর্তনাদ ধ্বনিত হবে— তত দিন আমার প্রতিবাদ চলবে, তত দিন আমার কলম চলবে, তত দিন আমি রাজপথে, মানুষের পাশে, সত্যের পক্ষে কথা বলে যাব। কারণ আমি শুধু একজন মানুষ নই, আমি প্রতিবাদের একটি কণ্ঠ, আমি অন্যায়ের বিরুদ্ধে জেগে ওঠা বিবেক, আমি নিপীড়িত মানুষের না-বলা গল্প, আমি হার না-মানা এক প্রত্যয়। আমি হারিয়ে যাইনি—আমি আছি, আমি থাকব! আমি একা নই—আমরা অনেক! যত দিন অন্যায় থাকবে, তত দিন প্রতিবাদ চলবে!
|
|
|
|
|
বাগেরহাট,প্রতিনিধি।
বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মোঃ আলী হোসেন ফকির বিপিএম বলেছেন, পুলিশকে শক্তিশালী ও মানবিক বাহিনী হিসেবে গড়ে তুলতে সবার সহযোগিতা প্রয়োজন। কমিউনিটি পুলিশিংয়ের মাধ্যমে মাদক, বাল্যবিবাহ, কিশোর গ্যাং ও দুর্নীতিসহ সামাজিক সমস্যাগুলো মোকাবিলা করা সম্ভব। রোববার (২৫ অক্টোবর) দুপুরে বাগেরহাট নতুন পুলিশ লাইন্সে জেলা পুলিশের আয়োজনে কমিউনিটি পুলিশিং সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি আরও বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি রয়েছে। অপরাধমুক্ত ও শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশ গড়তে স্থানীয় জনগণকে অপরাধীদের তথ্য দিয়ে পুলিশকে সহযোগিতা করতে হবে। বাগেরহাটের পুলিশ সুপার মোঃ জামিরুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন খুলনা রেঞ্জের ডিআইজি মোঃ রেজাউল করিম ও জেলা প্রশাসক গোলাম মোঃ বাতেন। পরে আইজিপি জেলা পুলিশ লাইন্সের ড্রিল শেডে পুলিশ কর্মকর্তা ও সদস্যদের সঙ্গে বিশেষ কল্যাণ সভায় মতবিনিময় করেন।
|
|
|
|
খবর নতুন বাজার
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত হলেও এক হাজার ৪৭১ জন চাকরিতে যোগ দেননি। এর মধ্যে কেউ নিয়োগপত্র পেয়েও নির্ধারিত সময়ে যোগ দেননি ৯১৮ জন এবং কাগজপত্রই জমা দেননি ৫৫৩ জন। এ ছাড়া বিভিন্ন কারণে ৮৩ জন প্রার্থী নিয়োগবঞ্চিত হয়েছেন। ফলে শিক্ষক সংকট কাটাতে শিগগিরই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেওয়ার প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (এডিজি) আবদুর রহিম। গতকাল বুধবার (৭ অক্টোবর) প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, গত ৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করা হলে ১৪ হাজার ৩৮৪ জনকে সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগের জন্য সুপারিশ করা হয়। এরপর গত ২৪ সেপ্টেম্বর জেলাভিত্তিক নিয়োগের আদেশ জারি করে প্রার্থীদের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিতে বলা হয়। কয়েক ধাপে দেওয়া ওই নির্দেশনার পর ১৩ হাজার ৮৩১ জন কাগজপত্র জমা দেন। বাকি প্রার্থীদের মধ্যে ৫৫২ জন কোনো কাগজপত্র জমা দেননি। এ ছাড়া একজন প্রার্থী মারা গেছেন। সব মিলিয়ে কাগজপত্র জমা না দেওয়া ৫৫৩ জন এবং নিয়োগপত্র পেয়েও যোগ না দেওয়া ৯১৮ জনসহ মোট ১ হাজার ৪৭১ জন সহকারী শিক্ষক পদে যোগ দেননি। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (এডিজি) আবদুর রহিম বলেন, অনেক প্রার্থী কাগজপত্র জমা না দেওয়ায় শুরু থেকেই বোঝা গেছে তারা চাকরিতে আগ্রহী নন। আবার কেউ নিয়োগপত্র পেয়েও যোগ দেননি। তাদের অনেকের অন্য জায়গায় চাকরি হয়ে থাকতে পারে। সরকারি নিয়োগে এ ধরনের ঘটনা নতুন নয়। তিনি বলেন, বড় একটি নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে সময় ও অর্থ ব্যয় হয়। এরপরও পদ শূন্য থাকলে বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষক সংকট তৈরি হয়। এ কারণে দ্রুত নতুন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেওয়ার প্রস্তুতি চলছে।
|
|
|
|
রিপোর্ট - মৃধা বেলাল।
পেশাদারত্বের পাশাপাশি মানবিকতা ও সেবার মনোভাব নিয়ে জনগণকে পুলিশি সেবা দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মোঃ আলী হোসেন ফকির, বিপিএম। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর মিরপুরে পুলিশ স্টাফ কলেজ বাংলাদেশের মাল্টিপারপাস হলে দুই দিনব্যাপী ‘কমিউনিটি পুলিশিং নীতিমালা প্রণয়ন’ বিষয়ক কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান। আইজিপি বলেন, জনমুখী পুলিশিংয়ের মূল ভিত্তি হলো জনগণের আস্থা অর্জন এবং সেই আস্থাকে কার্যকর অংশীদারত্বে রূপ দেওয়া। জনগণের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ ও পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদারের মাধ্যমে অপরাধ প্রতিরোধ এবং নিরাপদ সমাজ গঠনে কমিউনিটি ও বিট পুলিশিং গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তিনি কমিউনিটি পুলিশিংয়ের মাধ্যমে কিশোর গ্যাং প্রতিরোধ এবং মাদকবিরোধী কার্যক্রম আরও কার্যকরভাবে পরিচালনার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। আইজিপি বলেন, দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে প্রতিভাবান তরুণ খেলোয়াড় খুঁজে বের করে জাতীয় কাবাডি দল গঠনের লক্ষ্যে আয়োজিত ‘১ম কমিউনিটি পুলিশিং কাবাডি টুর্নামেন্ট-২০২৬’ সারাদেশে ব্যাপক প্রাণচাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। কাবাডি বাংলাদেশের জাতীয় খেলা ও গৌরবের অংশ উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ ধরনের উদ্যোগের মাধ্যমে সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের কাছে আরও সহজে পৌঁছানো সম্ভব হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ পুলিশ সততা, ন্যায়সংগত আচরণ ও পারস্পরিক সম্মানের সঙ্গে জনগণকে সেবা দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। শান্তিপূর্ণ ও সহনশীল সমাজ গড়ে তুলতে জনগণের সঙ্গে পুলিশের অংশীদারত্ব আরও শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পুলিশ স্টাফ কলেজ বাংলাদেশের রেক্টর (অতিরিক্ত আইজি) কাজী মোঃ ফজলুল করিম, বিপিএম-সেবা। তিনি ‘বাংলাদেশে কমিউনিটি ও বিট পুলিশিং পুনর্গঠন: একটি জনমুখী, প্রতিরোধমূলক ও গোয়েন্দা-তথ্যনির্ভর পুলিশিং কাঠামোর পথে’ শীর্ষক মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। মূল প্রবন্ধের ওপর আলোচনা করেন অতিরিক্ত আইজি (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) মোঃ সায়েদুর রহমান এবং পুলিশ স্টাফ কলেজ বাংলাদেশের ভাইস-রেক্টর ড. মোঃ আব্দুস সোবহান। তাঁরা কমিউনিটি ও বিট পুলিশিংকে আরও কার্যকর করার বিভিন্ন বাস্তব দিক তুলে ধরেন। কর্মশালায় মাঠপর্যায়ের অভিজ্ঞতা, মতামত ও সুপারিশ সমন্বয় করে বাংলাদেশ পুলিশের কমিউনিটি ও বিট পুলিশিংকে আরও কার্যকর ও প্রাতিষ্ঠানিক করার লক্ষ্যে বাস্তবমুখী সুপারিশমালা প্রণয়ন করা হবে। কর্মশালায় বাংলাদেশ পুলিশের কমিউনিটি অ্যাফেয়ার্স অফিসারসহ সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করছেন।
|
|
|
|
|
রিপোর্ট -মৃধা বেলাল
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী মুহাম্মদ শাহবাজ শরীফের একটি দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) জাতিসংঘ সদর দপ্তরের সেক্রেটারিয়েট বিল্ডিংয়ের ৩৪তম তলায় বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়। এই বৈঠকে দুই নেতা বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন। এ সময় পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি এবং দুই দেশের জনগণের কল্যাণে সহযোগিতার সম্ভাব্য ক্ষেত্র নিয়ে গঠনমূলক মতবিনিময় হয়। দুই প্রধানমন্ত্রী পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সমঝোতা ও সহযোগিতার ভিত্তিতে দুই দেশের মধ্যকার সম্পর্ককে এগিয়ে নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। বৈঠকে উভয় পক্ষ অভিন্ন স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোতে নিয়মিত যোগাযোগ ও সংলাপ অব্যাহত রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করে।
|
|
|
|
|
দুই মাস বন্ধ থাকার পর আগামী ২৫ জানুয়ারি থেকে আবারও জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) সংশোধন কার্যক্রম চালু করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের মহাপরিচালক এ এস এম হুমায়ুন কবীর এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
তিনি বলেন, আগামী রবিবার (২৫ জানুয়ারি) থেকে জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) সব তথ্য সংশোধন কার্যক্রম চালু করা হবে।
উল্লেখ্য, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে ভোটার তালিকা প্রস্তুত করতে সাময়িকভাবে গত ২৪ নভেম্বর বিকাল ৪টার পর থেকে এনআইডি সংশোধন কার্যক্রম বন্ধ করে ইসি।
তবে, জরুরি সংশোধন-সেবা চালু রেখে আবেদনের প্রেক্ষিতে নির্বাচন কমিশনের এনআইডি অনুবিভাগে সীমিতভাবে সংশোধন কার্যক্রম চালু ছিল।
|
|
|
|
সারওয়ার আলম মুকুল, কাউনিয়া (রংপুর) প্রতিনিধি ঃ মাছে ভাতে বাঙ্গালী, পুটি মাছের কাঙ্গালি, এসব কথা এখন শুধুই প্রবাদ। এক সময় দেশি প্রজাতির প্রচুর মাছ পাওয়া যেত রংপুরের কাউনিয়ার নদী-নালা-খাল-বিলে। বর্তমানে দেশীয় সেসব মাছ দেখা যায় না বিলীনের পথে। ভয়ঙ্কর চায়নাদুয়ারী জাল ও রাসায়নিকের দাপটে গত কয়েক দশকে দেশি প্রজাতির অনেক মাছই হারিয়ে যেতে বসেছে। রংপুরের মৎস্যভান্ডার নামে খ্যাত কাউনিয়ায় তিস্তা, মানাস, বুড়াল নদীসহ বিভিন্ন জলাশয়ে দেশীয় অর্ধশত প্রজাতির মাছের অস্তিত্ব প্রায় বিলীনের পথে। এখন আর গোলা ভরা ধান, গোয়াল ভরা গরু আর পুকুর ভরা মাছ নেই। জলবায়ুর পরিবর্তন, প্রাকৃতিক দুর্যোগ, অসচেতনতা, ফসলের জমিতে ক্ষতিকর কীটনাশক ও রাসায়নিক সারের যথেচ্ছা ব্যবহার মৎস্য ভান্ডার খ্যাত কাউনিয়ায় অর্ধশত প্রজাতির মিঠাপানির দেশীয় মাছের অস্তিত্ব বিলীন হতে চলেছে। সুস্বাদু দেশীয় মাছ এখন আর তেমন মিলছে না। জেলার শহর বন্দর গ্রামে গঞ্জে সর্বত্রই দেশীয় মাছের চরম সংকট। যদিও অল্প পরিমানে মিলছে তার অগ্নিমূল্য। মৎস্য ব্যবসায়ী ভোলারাম দাস জানান, দেশীও মাছ এখন তেমন পাওয়া যায় না। যা পাওয়া যায় তা অগ্নীমূল্য। মৎসজীবী নরজিৎ জানান, জলাশয় গুলোতে এখন দেশী মাছ পাওয়া যায় না। জলাশয় গুলোতে মৎস্য খামরা ও রিং জালের অবাধ ব্যবহারের ফলে মা মাছ সহ ডিম নষ্ট করে ফেলছে, ফলে দেশী মাছ মিলছে না। বিগত দিনে সরকারের উদাসিনতা, মৎস্য অধিদপ্তরের বাস্তবসম্মত সুদূর প্রসারী পরিকল্পনার অভাব, প্রকাশ্য রিং জালের ব্যবহারের প্রতিকার না হওয়ায় দেশীয় মাছ হারিয়ে যাচ্ছে। জন সচেতনতা তৈরিতে দায়িত্বশীলরা এগিয়ে আসছে না। মৎস্য বিজ্ঞানীদের মতে, এ অঞ্চলে শতাধিক প্রজাতির মিঠাপানির মাছ ছিল। মনুষ্যসৃষ্ট নানা প্রতিবন্ধকতায় অনেক প্রজাতির মাছ এখন চোখে পড়ে না। তাছাড়া নানা সময় নদী-খাল-বিল থেকে কারেন্ট জালের মাধ্যমে ব্যাপকহারে ডিমওয়ালা মাছ ধরার কারণে দেশীয় মিঠা পানির বিভিন্ন প্রজাতির মাছের অস্তিত্ব বিলীন হয়ে যাচ্ছে। কালের গর্ভে মাছে-ভাতে বাঙালির ঐতিহ্য আজ হারিয়ে যেতে বসেছে। রংপুর অঞ্চলে প্রায় শতাধিক প্রজাতির মিঠাপানির মাছের মধ্যে পুঁটি, দারকা, খলিশা, ভেদা, পয়া, গতা, বাইম, কৈ, মাগুর, শিং, টেংরা, শোল, টাকি, চেং, সরপুঁটি, পাবদা, চিংড়িসহ অর্ধশত প্রজাতির মিঠাপানির মাছ এখন বিলুপ্তির পথে। এ সকল মাছ স্বাদে ও পুষ্টি গুনে ছিল ভরপুর। স্থানিয় শতশত মৎস্যজীবী সারা বছর তারা মৎস শিকার করে নিজ পরিবারের চাহিদাপূরণ সহ জীবিকা নির্বাহ করত। শুষ্ক মৌসুমে খাল বিল হাওরের পানি কমে গেলে চলত মাছ ধরার উৎসব। কারেন্ট জালের ব্যাপকতায় খাল বিল নদীতে এ মাছের রেনু ধরা পড়ে মাছের প্রজনন চরম ভাবে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। জালে ধরা পড়ে নষ্ট হচ্ছে হাজার হাজার রেনু মাছ। পরিবেশ ও মৎস্য বিজ্ঞানীদের মতে, দক্ষিণাঞ্চলে মৎস্য প্রজাতি বিলুপ্তির কারণ হচ্ছে-অপরিকল্পিততভাবে জলাধারে বাধ দেয়ায় ভরা বর্ষা মৌসুমে ডিম ছাড়ার মা মাছ আসতে বাধা পায়। মাছের স্বাভাবিক চলাচলে বাধা, খাল, বিল, হাওর, বাঁওড়গুলো ক্রমান্বয়ে ভরাট হয়ে যাওয়ায় মাছের প্রজনন ক্ষেত্র সংকুচিত হওয়ার কারণে মাছের বংশ বৃদ্ধি বাধাপ্রাপ্ত হচ্ছে। তাছাড়া বিভিন্ন কারণে পানি দূষণ জলাশয়ের গভীররা হ্রাস, কারেন্ট জালের ব্যবহারে দেশী মাছে ধ্বংস হচ্ছে। দেশীয় প্রজাতির মাছ সংরক্ষণে মৎস্যজীবী তথা সর্বসাধারণকে সচেতন করার পাশাপাশি স্থানীয় মৎস্য দপ্তরের কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ ও মৎস্য সংরক্ষণ আইনের সঠিক বাস্তবায়ন নিশ্চিত করণের মাধ্যমেই সম্ভব।
|
|
|
|
মোঃ ইব্রাহীম মিঞা, দিনাজপুর প্রতিনিধি: ভোটের রাজনীতিতে ধর্মের অপব্যবহার নিয়ে সতর্কবার্তা উচ্চারণ করেছেন দিনাজপুরের বিরামপুর পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম রেজু। তিনি বলেন, ইসলামের নামে কোনো ধরনের ভুল ব্যাখ্যা, বিভ্রান্তিমূলক বক্তব্য বা অপব্যবহার কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। বুধবার (২১ জানুয়ারি) বিকাল ৩টায় বিরামপুর পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির আয়োজনে ইসলামপাড়া এলাকার অস্থায়ী কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত মহিলা কর্মী সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন। সমাবেশে রেজাউল করিম রেজু বলেন, “রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা ও প্রচারণা চালানোর অধিকার সবার আছে। এতে আমাদের কোনো আপত্তি নেই। তবে ভোটের রাজনীতিতে ধর্মীয় বিশ্বাসকে জড়িয়ে বিভ্রান্তিমূলক বা ব্যতিক্রমধর্মী বক্তব্য দিয়ে সাধারণ মানুষকে প্রভাবিত করার চেষ্টা গ্রহণযোগ্য নয়।” তিনি আরও বলেন, “ইসলাম একটি পবিত্র ও শান্তির ধর্ম। ইসলামের বিষয়ে কোনো ধরনের ভুল ব্যাখ্যা বা অপব্যবহার করা হলে আমরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করব। এ বিষয়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।” বক্তব্যে তিনি ধর্মীয় অনুভূতিকে ব্যবহার করে রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের চেষ্টাকে অনভিপ্রেত উল্লেখ করে দলীয় নেতাকর্মীদের সতর্ক ও সচেতন থাকার আহ্বান জানান। সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন বিরামপুর পৌর ৪ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি জিয়াউর রহমান এবং সাধারণ সম্পাদক আলী হোসেন। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন পৌর মহিলা দলের আহ্বায়ক রেজবানা পারভীন শিমুল, পৌর মহিলা দলের সদস্য সচিব তানজীদ মুন নিভাসহ উপজেলা মহিলা দলের যুগ্ম আহ্বায়ক খুশি, পৌর মহিলা দলের যুগ্ম আহ্বায়ক সম্পা ও পারভীন এবং স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।
|
|
|
|
|
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আগামী ১১ ফেব্রুয়ারি (বুধবার) সাধারণ ছুটি থাকবে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম
বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে সমসাময়িক ইস্যুতে করা সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানান তিনি।
প্রেস সচিব বলেন, ‘উপদেষ্টা পরিষদের সভায় ১১ ফেব্রুয়ারি (বুধবার) সাধারণ ছুটির প্রস্তাব গৃহীত হয়েছে। আর শিল্পাঞ্চলের শ্রমিকদের জন্য এই ছুটি ১০ ও ১১ ফেব্রুয়ারি।
|
|
|
|
|
তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছে নতুন বাজার প্রত্রিকার পরিবার।
মঙ্গলবার এক শোকবার্তায় প্রতিষ্ঠানের সম্পাদক ও পরিবারের পক্ষ থেকে এই শোক জানানো হয়।
শোকবার্তায় প্রত্রিকার সম্পাদক জানায়, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে নতুন বাজার পরিবারের সকল সদস্য গভীরভাবে শোকাহত। শোকবার্তায় মরহুমার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করা হয় এবং মহান আল্লাহর দরবারে তাকে জান্নাতুল ফেরদৌস দান করার জন্য প্রার্থনা করা হয়।
একই সঙ্গে প্রত্রিকার পক্ষ থেকে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, মহান আল্লাহ যেন এই অপূরণীয় ক্ষতি সহ্য করার জন্য তাঁর পরিবার ও শুভানুধ্যায়ীদের শক্তি দান করেন।
উল্লেখ্য, আজ মঙ্গলবার ভোরে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৮০ বছর বয়সে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন বেগম খালেদা জিয়া। তার মৃত্যুতে সারা দেশে রাষ্ট্রীয় শোক চলছে।
|
|
|
|
মোঃ আকাশ আহমেদ, স্টাফ রিপোর্টারঃ-
ময়মনসিংহের ফুলবাড়ীয়ায় শহীদ জিয়া স্মৃতি সংসদ, উপজেলা ও পৌর শাখার উদ্যোগে এক পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫) উপজেলার পালকি কমিউনিটি সেন্টারে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা বিএনপি’র যুগ্ম আহ্বায়ক ও ফুলবাড়ীয়া উপজেলা বিএনপি’র আহ্বায়ক জনাব আখতারুল আলম ফারুক।
প্রধান বক্তা ছিলেন শহীদ জিয়া স্মৃতি সংসদ, কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভাপতি জনাব মো. রেজাউল কবির দিপু।
সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শহীদ জিয়া স্মৃতি সংসদের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি জনাব মো. মহসিন মিয়া, যুগ্ম সম্পাদক জনাব খন্দকার ওয়াহিদুল হাসান (ওয়াহিদ), কেন্দ্রীয়ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ফুলবাড়ীয়া উপজেলা শহীদ জিয়া স্মৃতি সংসদের সভাপতি মো. আবু নাঈম বাবুল। সঞ্চালনায় ছিলেন মো. রাশেদুল হক খান কারা নির্যাতিত নেতা মোঃ শরিফুল ইসলাম ও মোঃজাহিদুল হাসান আইএজ।
বক্তারা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনে শহীদ জিয়া স্মৃতি সংসদের ভূমিকার কথা তুলে ধরেন। তারা সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করার আহ্বান জানান।
সভায় ফুলবাড়ীয়া উপজেলা ও পৌর বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা বিপুল সংখ্যক অংশগ্রহণ করেন।
|
|
|
|
মীর রাজিবুল হাসান নাজমুল:
স্টাফ রিপোর্টার
বাংলাদেশ ন্যাশনাল নিউজ ক্লাব ও বাংলাদেশ ভূমিহীন গৃহহীন হাউজিং লিমিটেড এর উদ্যোগে জুলাই গণঅভ্যুত্থান’-এ শহীদদের স্মরণে ও আহতদের সুস্থতা কামনায় দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুর ১১টায় মিরপুরে ৫৯ দারুস সালাম সাংগঠনের নিজস্ব কার্যালয়ে এ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠান প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ঢাকা প্রেসক্লাবের সভাপতি আওরঙ্গজেব কামাল। তিনি এ সময় বলেন জুলাই মাস বাংলাদেশের ইতিহাসে এক গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায়। স্বাধীনতা-পরবর্তী সংকটকালে যারা দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে রাজপথে নেমেছিলেন, তাদের আত্মত্যাগ জাতি চিরদিন শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে। তিনি সময় আরো বলেন, জুলাইয়ের আন্দোলন কার্যত একক কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে নয়, একটা ব্যবস্থার বিরুদ্ধে। এ ব্যবস্থা বৈষম্যের বিরুদ্ধে সংস্কারের। রাষ্ট্রকাঠামোকে নতুনকরে ঢেলে সাজানোর আন্দোলন। জুলাইয়ের এই চেতনা যেন কোনোভাবেই উজ্জ্বলতা না হারায়, বরং উত্তরোত্তর তার স্প্রিট যেন ঔজ্জ্বল্য হয়ে ওঠে। ঢাকা প্রেস ক্লাবের সভাপতি বলেন“জুলাই শহীদরা গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের জন্য লড়াই করেছিলেন। তাঁদের আত্মদানে আমাদের রাষ্ট্র ও সমাজ গঠনের অনুপ্রেরণা রয়েছে।সংগঠনের অর্থ সম্পাদক মো: ইউনুস আলী সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন দক্ষিণ অঞ্চল সাংবাদিক ইউনিয়নের উপদেষ্টা মোঃ আব্দুল মান্নান ভূঁইয়া। তিনি এ সময় বলেন জুলাই শহীদদের আত্মত্যাগের কথা মাথায় রেখে অচিরেই দেশে একটি গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে। সেই সরকার হবে দুর্নীতিবাজ চাঁদাবাজ সন্ত্রাসী মুক্ত। যে সরকার জনগণের দুঃখ দুর্দশার কথা শুনবে।
অনুষ্ঠান সান্তনা করেন বাংলাদেশ ভূমিহীন গৃহহীন হাউজিং লিমিটেডের সাধারণ সম্পাদক মোঃ আজহার আলী। তিনি এ সময় বলেন আমরা দরিদ্র শ্রেণীর ভূমিহীন মানুষের পাশে থেকে তাদের নীর্য অধিকার আদায়ের জন্য কাজ করছি। আশা করি অতি দ্রুত সফলতা লাভ করব। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের প্রচার সম্পাদক মোঃ জুয়েল খন্দকার, মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা মিসেস কোহিনুর বেগম, রোকেয়া বেগম, মাহমুদা আক্তার, জোবাই ডাক্তার, মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন, ওবায়দুর রহমান, আশিক, রুমানা আক্তার প্রমুখ। আলোচনা সভা শেষে শহীদদের আত্মার মাগফিরাত ও আহতদের দ্রুত সুস্থতার জন্য বিশেষ দোয়া পরিচালনা করা হয়।
|
|
|
|
বিশেষ প্রতিনিধি
মাদক থেকে মুক্তি চাই, সুস্থ সমাজ গড়তে চাই"—এই প্রতিপাদ্যে আজ ২৬ জুন (বুধবার) গাইবান্ধা জেলায় যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয়েছে মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচারবিরোধী আন্তর্জাতিক দিবস। জেলা প্রশাসন ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের যৌথ আয়োজনে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়।
দিনটি উপলক্ষে সকালে জেলা প্রশাসক কার্যালয় চত্বর থেকে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। পরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয় আলোচনা সভা।
সভায় সভাপতিত্ব করেন গাইবান্ধা জেলা প্রশাসক মো. মুরসালিন, প্রধান অতিথি ছিলেন পুলিশ সুপার মো. কামাল হোসেন, বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, শিক্ষা কর্মকর্তা, জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ কার্যালয়ের সহকারী পরিচালকসহ গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
বক্তারা বলেন, মাদক সমাজের জন্য ভয়াবহ এক ব্যাধি। এটি শুধু একজন ব্যক্তিকে নয়, পুরো পরিবার, সমাজ এবং জাতিকে ধ্বংস করে দিতে পারে। মাদকের ভয়াল ছোবল থেকে তরুণ সমাজকে রক্ষা করতে হবে। এজন্য পারিবারিক, সামাজিক ও প্রশাসনিকভাবে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়।
আলোচনা সভা শেষে মাদকবিরোধী শপথগ্রহণ ও লিফলেট বিতরণ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়াও জেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মাদকবিরোধী দেয়ালিকা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।
দিবসটি ঘিরে গাইবান্ধা জেলাজুড়ে ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ এবং মাদকবিরোধী সামাজিক সচেতনতার জোরালো বার্তা।
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
| |
| |
|
|
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ এম.এ মান্নান নির্বাহী সম্পাদক: মো: রাসেল মোল্লা
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : মৃধা বেলাল
নির্বাহী সম্পাদক : মো: রাসেল মোল্লা
সহ সম্পাদক : জাহাঙ্গীর আলম ।
ফোন: বার্তা বিভাগ : 88 01927555138, সম্পাদক ও প্রকাশক: 01980716232
ঠিকানাঃ বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়- নারায়ণগঞ্জ, সম্পাদকীয় কার্যালয়- জাকের ভিলা, হাজী মিয়াজ উদ্দিন স্কয়ার মামুদপুর, ফতুল্লা, নারায়ণগঞ্জ। শাখা অফিস : নিজস্ব ভবন, সুলপান্দী, পোঃ বালিয়াপাড়া, আড়াইহাজার, নারায়ণগঞ্জ-১৪৬০, রেজিস্ট্রেশন নং 134 / নিবন্ধন নং 69 মোবাইল : 01731190131,E-mail- notunbazar2015@gmail.com, E-mail : mannannews0@gmail.com, web: notunbazar71.net,
|
|
| |
|