| বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

   অপরাধ -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
ঘাড় মটকে হত্যা, কার্টনে ভরে নীলফামারীতে নেওয়া হয় রাকিবের লাশ

নিজস্ব প্রতিবেদক।

এক মাস আগে টাঙ্গাইল থেকে ঢাকায় এসে পূর্ব শেওড়াপাড়ার একটি মেসে থাকতেন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির লক্ষ্যে প্রস্তুতিতে থাকা মো. রাকিবুল ইসলাম (১৭)। ফেসবুকের মাধ্যমে পূর্বপরিচিত আবদুল্লাহ আল মামুনের ফোন পেয়ে গত ১৬ সেপ্টেম্বর শেওড়াপাড়া মেট্রোরেল স্টেশনের সামনে যাওয়ার পর আর ফেরেনি রাকিব। রাকিবের নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় তার বড় ভাই জহুরুল ইসলাম ঢাকায় এসে কাফরুল থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। সেই জিডির সূত্র ধরে তদন্ত শুরু করে পুলিশ। পরে হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরের সূত্রে আবদুল্লাহ আল মামুন ওরফে মামুন সরকারকে গ্রেফতার করা হয়। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে নীলফামারীর ডিমলার একটি সুপারিবাগান থেকে কার্টনের ভেতর রাকিবের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ হত্যাকাণ্ড নিয়ে পুলিশের তদন্তে বেরিয়ে আসে চাঞ্চল্যকর তথ্য। জানা যায়, কয়েক মাস আগে অনলাইনে রাকিবের সঙ্গে মামুনের পরিচয় হয়। মামুন একটি মার্কেটিং কোম্পানিতে চাকরি করেন। ঢাকায় আসার পর রাকিব একাধিকবার তার বাসায় গিয়েছিল। এভাবে তাদের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক তৈরি হয়। সর্বশেষ ১৬ সেপ্টেম্বর মামুনের বাসায় গেলে রাকিবকে মারধর করা হয় এবং মুক্তিপণের টাকা দিতে চাপ দেওয়া হয়। এ সময় দুজনের মধ্যে ধস্তাধস্তি হলে একপর্যায়ে রাকিবের ঘাড় মটকে যায় এবং তার মৃত্যু হয়। পরে মরদেহ কার্টনে ভরে নীলফামারীর ডিমলায় নিয়ে একটি সুপারিবাগানের মাটিতে পুঁতে রাখেন মামুন। এর আগে রাকিবের পরিবারের কাছে হোয়াটসঅ্যাপে ফোন করে ১৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করেন তিনি। টাকা না দিলে রাকিবকে হত্যার হুমকিও দেওয়া হয়। ছেলেকে জীবিত ফিরে পাওয়ার আশায় পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন সময়ে মোট চার লাখ টাকা পাঠালেও তাকে আর ফিরে পাননি। বুধবার বিকেলে রাজধানীর মিন্টো রোডে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান ডিএমপির ক্রাইম প্রিভেনশন উত্তর বিভাগের যুগ্ম কমিশনার মহিদুল ইসলাম। ঘটনার আরও বিস্তারিত তুলে ধরে তিনি বলেন, রাকিবের মৃত্যুর পর মরদেহ গুম করার উদ্যোগ নেন মামুন। পুলিশের কাছে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, তিনি মরদেহটি একটি কার্টনে ঢুকিয়ে স্কচটেপ দিয়ে মুড়ে ফেলেন। এরপর বাড়ির দারোয়ানের সহায়তায় কার্টনটি অটোরিকশায় করে গাবতলী বাসস্ট্যান্ডে নিয়ে যান। কার্টনটি এমনভাবে মোড়ানো হয়েছিল, বাইরে থেকে দেখে সেটির ভেতরে মরদেহ রয়েছে বোঝার উপায় ছিল না। গাবতলী থেকে বাস ও অন্যান্য যানবাহনে করে মামুন নীলফামারীর ডিমলায় নিজের বাড়ির এলাকায় যান। ১৭ সেপ্টেম্বর রাতে বাড়ির সামনে একটি সুপারিবাগানে গর্ত করেন তিনি। পরে কার্টনসহ রাকিবের মরদেহ সেখানে মাটিচাপা দেন। এদিকে রাকিব নিখোঁজ হওয়ার পর তার পরিবারের সদস্যদের কাছে হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগ করে ১৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। টাকা না দিলে তাকে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়। মুক্তিপণের অর্থ আদায়ের জন্য পরিবারের সদস্যদের বিভিন্নভাবে বিভ্রান্তও করা হয়। রাকিবকে জীবিত ফিরে পাওয়ার আশায় পরিবারের সদস্যরা চারটি বিকাশ ও তিনটি নগদ নম্বরে মোট চার লাখ টাকা পাঠান। পরে রাকিবকে ফিরে না পেয়ে তাঁর বড় ভাই জহুরুল ইসলাম ঢাকায় এসে কাফরুল থানায় নিখোঁজের জিডি করেন। রাকিবকে হত্যার বিষয়টি জানার পর তিনি অপহরণ ও মুক্তিপণ দাবির ঘটনায় মামলা করেন। পুলিশ জানায়, ৫ অক্টোবর সন্ধ্যা ৬টার দিকে রাজধানীর শুক্রাবাদ বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে মামুনকে আটক করা হয়। তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ৬ অক্টোবর বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে ডিমলায় অভিযান চালানো হয়। মামুনের দেখানো জায়গা থেকে কার্টনের ভেতর রাকিবের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে তাঁর বড় ভাই জহিরুল ইসলাম মরদেহটি শনাক্ত করেন। এরপর ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ নীলফামারী আধুনিক সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। রাকিবের পরিবারের কাছ থেকে নেওয়া চার লাখ টাকার মধ্যে ৫০ হাজার টাকা উদ্ধারের কথা জানিয়েছে পুলিশ। মামুন স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে ইচ্ছুক হওয়ায় বুধবার তাকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পাঠানো হয়েছে। ডিএমপির যুগ্ম কমিশনার মহিদুল ইসলাম বলেন, এই হত্যাকাণ্ডে আর কেউ জড়িত কি না, মুক্তিপণের অর্থের লেনদেন এবং ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয় খতিয়ে দেখা হচ্ছে। যদিও জিজ্ঞাসাবাদে রাকিবকে হত্যার কথা স্বীকার করেছে মামুন। মামলাটি বর্তমানে তদন্তাধীন রয়েছে।

ঘাড় মটকে হত্যা, কার্টনে ভরে নীলফামারীতে নেওয়া হয় রাকিবের লাশ
                                  
নিজস্ব প্রতিবেদক।

এক মাস আগে টাঙ্গাইল থেকে ঢাকায় এসে পূর্ব শেওড়াপাড়ার একটি মেসে থাকতেন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির লক্ষ্যে প্রস্তুতিতে থাকা মো. রাকিবুল ইসলাম (১৭)। ফেসবুকের মাধ্যমে পূর্বপরিচিত আবদুল্লাহ আল মামুনের ফোন পেয়ে গত ১৬ সেপ্টেম্বর শেওড়াপাড়া মেট্রোরেল স্টেশনের সামনে যাওয়ার পর আর ফেরেনি রাকিব। রাকিবের নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় তার বড় ভাই জহুরুল ইসলাম ঢাকায় এসে কাফরুল থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। সেই জিডির সূত্র ধরে তদন্ত শুরু করে পুলিশ। পরে হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরের সূত্রে আবদুল্লাহ আল মামুন ওরফে মামুন সরকারকে গ্রেফতার করা হয়। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে নীলফামারীর ডিমলার একটি সুপারিবাগান থেকে কার্টনের ভেতর রাকিবের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ হত্যাকাণ্ড নিয়ে পুলিশের তদন্তে বেরিয়ে আসে চাঞ্চল্যকর তথ্য। জানা যায়, কয়েক মাস আগে অনলাইনে রাকিবের সঙ্গে মামুনের পরিচয় হয়। মামুন একটি মার্কেটিং কোম্পানিতে চাকরি করেন। ঢাকায় আসার পর রাকিব একাধিকবার তার বাসায় গিয়েছিল। এভাবে তাদের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক তৈরি হয়। সর্বশেষ ১৬ সেপ্টেম্বর মামুনের বাসায় গেলে রাকিবকে মারধর করা হয় এবং মুক্তিপণের টাকা দিতে চাপ দেওয়া হয়। এ সময় দুজনের মধ্যে ধস্তাধস্তি হলে একপর্যায়ে রাকিবের ঘাড় মটকে যায় এবং তার মৃত্যু হয়। পরে মরদেহ কার্টনে ভরে নীলফামারীর ডিমলায় নিয়ে একটি সুপারিবাগানের মাটিতে পুঁতে রাখেন মামুন। এর আগে রাকিবের পরিবারের কাছে হোয়াটসঅ্যাপে ফোন করে ১৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করেন তিনি। টাকা না দিলে রাকিবকে হত্যার হুমকিও দেওয়া হয়। ছেলেকে জীবিত ফিরে পাওয়ার আশায় পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন সময়ে মোট চার লাখ টাকা পাঠালেও তাকে আর ফিরে পাননি। বুধবার বিকেলে রাজধানীর মিন্টো রোডে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান ডিএমপির ক্রাইম প্রিভেনশন উত্তর বিভাগের যুগ্ম কমিশনার মহিদুল ইসলাম। ঘটনার আরও বিস্তারিত তুলে ধরে তিনি বলেন, রাকিবের মৃত্যুর পর মরদেহ গুম করার উদ্যোগ নেন মামুন। পুলিশের কাছে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, তিনি মরদেহটি একটি কার্টনে ঢুকিয়ে স্কচটেপ দিয়ে মুড়ে ফেলেন। এরপর বাড়ির দারোয়ানের সহায়তায় কার্টনটি অটোরিকশায় করে গাবতলী বাসস্ট্যান্ডে নিয়ে যান। কার্টনটি এমনভাবে মোড়ানো হয়েছিল, বাইরে থেকে দেখে সেটির ভেতরে মরদেহ রয়েছে বোঝার উপায় ছিল না। গাবতলী থেকে বাস ও অন্যান্য যানবাহনে করে মামুন নীলফামারীর ডিমলায় নিজের বাড়ির এলাকায় যান। ১৭ সেপ্টেম্বর রাতে বাড়ির সামনে একটি সুপারিবাগানে গর্ত করেন তিনি। পরে কার্টনসহ রাকিবের মরদেহ সেখানে মাটিচাপা দেন। এদিকে রাকিব নিখোঁজ হওয়ার পর তার পরিবারের সদস্যদের কাছে হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগ করে ১৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। টাকা না দিলে তাকে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়। মুক্তিপণের অর্থ আদায়ের জন্য পরিবারের সদস্যদের বিভিন্নভাবে বিভ্রান্তও করা হয়। রাকিবকে জীবিত ফিরে পাওয়ার আশায় পরিবারের সদস্যরা চারটি বিকাশ ও তিনটি নগদ নম্বরে মোট চার লাখ টাকা পাঠান। পরে রাকিবকে ফিরে না পেয়ে তাঁর বড় ভাই জহুরুল ইসলাম ঢাকায় এসে কাফরুল থানায় নিখোঁজের জিডি করেন। রাকিবকে হত্যার বিষয়টি জানার পর তিনি অপহরণ ও মুক্তিপণ দাবির ঘটনায় মামলা করেন। পুলিশ জানায়, ৫ অক্টোবর সন্ধ্যা ৬টার দিকে রাজধানীর শুক্রাবাদ বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে মামুনকে আটক করা হয়। তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ৬ অক্টোবর বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে ডিমলায় অভিযান চালানো হয়। মামুনের দেখানো জায়গা থেকে কার্টনের ভেতর রাকিবের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে তাঁর বড় ভাই জহিরুল ইসলাম মরদেহটি শনাক্ত করেন। এরপর ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ নীলফামারী আধুনিক সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। রাকিবের পরিবারের কাছ থেকে নেওয়া চার লাখ টাকার মধ্যে ৫০ হাজার টাকা উদ্ধারের কথা জানিয়েছে পুলিশ। মামুন স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে ইচ্ছুক হওয়ায় বুধবার তাকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পাঠানো হয়েছে। ডিএমপির যুগ্ম কমিশনার মহিদুল ইসলাম বলেন, এই হত্যাকাণ্ডে আর কেউ জড়িত কি না, মুক্তিপণের অর্থের লেনদেন এবং ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয় খতিয়ে দেখা হচ্ছে। যদিও জিজ্ঞাসাবাদে রাকিবকে হত্যার কথা স্বীকার করেছে মামুন। মামলাটি বর্তমানে তদন্তাধীন রয়েছে।

রূপগঞ্জে পুলিশের ওপর হামলাসহ ১২ মামলার আসামি গ্রেফতার
                                  

মো: রাসেল মোল্লা 

 

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ থানা পুলিশের ওপর হামলাসহ ১২ মামলার আসামি ফয়সাল মিয়াকে(৩০) গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গতকাল ১৮মার্চ বুধবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কায়েতপাড়া ইউনিয়নের নাওড়া এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। তার বিরুদ্ধে পুলিশের ওপর হামলা, বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে মামলা, মারপিটসহ রূপগঞ্জ থানায় ১২টি মামলা রয়েছে। এসব মামলায় কয়েকটিতে ওয়ারেন্টও রয়েছে। এছাড়া ফয়সাল মিয়া বিভিন্ন নাশকতার পরিকল্পনা করে আসছিলো বলে পুলিশ জানিয়েছে।

রূপগঞ্জ থানার ওসি মোহাম্মদ সবজেল হোসেন বলেন, ফয়সাল মিয়া দীর্ঘদিন ধরে পলাতক ছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নাওড়া এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে তাকে গ্রেফতার করা হয়। তাকে নারায়ণগঞ্জ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

রিপোর্ট 

নির্বাহী সম্পাদক 

দৈনিক নতুন বাজার ৭১.নেট

নিতপুর সীমান্তে ০১ জন চোরাকারবারীসহ বিপুল পরিমাণ ভারতীয় ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট আটক।
                                  

(নওগাঁ)প্রতিনিধিঃ

 

নওগাঁ ব্যাটালিয়ন (১৬ বিজিবি) কর্তৃক নওগাঁ জেলার পোরশা উপজেলার নিতপুর সীমান্তে ০১ জন চোরাকারবারীসহ বিপুল পরিমাণ ভারতীয় ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট আটক করেছেন বিজিবি, ৫ জানুয়ারি আনুমানিক রাত ৯টার সময়। নওগাঁ জেলার পোরশা থানার অন্তর্গত অত্র ব্যাটালিয়নের অধীনস্থ নীতপুর বিওপির টহল কমান্ডার সুবেদার মোঃ মাহফুজুর রহমান এর নেতৃত্বে একটি বিশেষ টহল দল বটতলী রাঙ্গাপুকুর নামক স্থানে অভিযান পরিচালনা করে ১০৮০ পিস ভারতীয় ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট, মোবাইল ০১ টি এবং ০২ টি সীম কার্ডসহ ০১ জন চোরাকারবারী মোঃ ইসরাফিল (২৪), পিতা-মোঃ বজলুর রহমান, গ্রাম-রাঙ্গাপুকুর, পোস্ট-কালাইবাড়ি, থানা-পোরশা, জেলা-নওগাঁ’কে আটক করতে সক্ষম হয়। আটককৃত আসামীর বিরুদ্ধে নওগাঁ জেলার পোরশা থানায় মামলা দায়ের পূর্বক মাদকদ্রব্য এবং অন্যান্য মালামালসহ পুলিশের নিকট হস্তান্তর করার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। 

 

নওগাঁ ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে গরু/মাদক পাচার/অবৈধ সীমান্ত পারাপার এবং চোরাচালানের বিরুদ্ধে সর্বাত্বক অভিযান অব্যাহত রাখার অঙ্গিকার ব্যক্ত করেছেন মেজর তানিম হাসান খান, এসপিপি, পিএসসি, অতিরিক্ত পরিচালক, ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক নওগাঁ ব্যাটালিয়ন (১৬ বিজিবি)।

রূপগঞ্জে মুক্তিপণের ১০ লাখ টাকা না পেয়ে কলেজ শিক্ষার্থীকে চোখ উপড়ে হত্যার চেষ্টা
                                  

মো: রাসেল মোল্লা 

 

মুক্তিপণের ১০লাখ টাকা না পেয়ে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার সলিমউদ্দিন চৌধুরী বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্র রেদোয়ান হোসেনকে(১৮) চোখ উপড়ে হত্যার চেষ্টা চালিয়েছে দুর্বৃত্তরা। গত ২৫অক্টোবর শনিবার রূপগঞ্জ ইউনিয়নের মধুখালী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। 

পুলিশ জানায়, কলেজ ছাত্র রেদোয়ান হোসেন গত শুক্রবার সন্ধ্যায় বাড়ি ফেরার পথে দুর্বৃত্তরা তাকে অপহরণ করে মধুখালী পশ্চিমপাড়া দেলোয়ার হোসেন দেলুর পরিত্যক্ত ঘরে আটকে রেখে হাত, পা ও মুখ বেঁধে বেধড়ক মারধর করে। পরে মোবাইল ফোনে রেদোয়ানের পিতা আক্তার হোসেনের কাছে দুর্বৃত্তরা ১০লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। কলেজ ছাত্রের পিতা আক্তার হোসেন টাকা দিতে অস্বীকার করলে দুর্বৃত্তরা রেদোয়ান হোসেনের ডান চোখ ছুরি দিয়ে উপড়ে ফেলে। একপর্যায়ে তার ডাক-চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে আসলে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়। এ ব্যাপারে কলেজ ছাত্রের পিতা বাদী হয়ে রূপগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেন। 

রূপগঞ্জ থানা ওসি মোঃ তরিকুল ইসলাম বলেন, মামলা রুজু করা হয়েছে। আসামীদের গ্রেফতারে পুলিশ তৎপর রয়েছে।

রিপোর্ট 

নির্বাহী সম্পাদক 

দৈনিক নতুন বাজার৭১.কম

রূপগঞ্জে হামলা চালিয়ে ভাংচুর ও লুটপাট সাংবাদিকের জমি দখলের পাঁয়তারার অভিযোগ
                                  

মো:রাসেল মোল্লা

 

দৈনিক নয়াদিগন্ত পত্রিকার সাংবাদিক ও নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার ভুলতা ইউনিয়নের মিঠাবো গ্রামের বাসিন্দা শফিকুল আলম ভুঁইয়াদের মালিকানাধীন ৭বিঘা ৬শতাংশ জমি ভ‚মিদস্যুরা দখলে নেওয়ার পাঁয়তারা করছে। সন্ত্রাসীরা বাড়ি-ঘরে হামলা চালিয়ে ভাংচুর ও লুটপাট করে কাঠ গাছ কেটে নেয়। প্রতিবাদ করায় ভ‚মিদস্যুরা তাদের ভয়-ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকি প্রদান করছে। গতকাল ৯অক্টোবর বৃহস্পতিবার শফিকুল আলম ভুঁইয়া বাদী হয়ে ৮জনকে আসামী করে নারায়ণগঞ্জ জেলা বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে মামালা দায়ের করেন। 

 জানা গেছে, রূপগঞ্জ উপজেলার ভুলতা ইউনিয়নের মিঠাবো মৌজার এসএ-৩৯৪ ও আরএস-১০৩২ নম্বর দাগের ২৭১শতাংশ, এসএ-৬৫১ নম্বর ও আরএস ১০১২,১০১৩নম্বর দাগের ৮৭শতাংশ জমির মধ্যে সাংবাদিক শফিকুল আলম ভুঁইয়াদের মালিকানাধীন একটি পুকুর, কবরস্থান ও মসজিদ নির্মাণসহ ৭বিঘা ৬শতাংশ জমি নামজারি ও খাজনা পরিশোধ করে দীর্ঘদিন ধরে তারা ভোগদখলে রয়েছে। গত ১৯সেপ্টেম্বর মিঠাবো গ্রামের আওয়ামীলীগের দোসর চিহ্নিত সন্ত্রাসী অস্ত্রধারী ভ‚মিদস্যু শহীদুল আলম অঞ্জনের নেতৃত্বে বহিরাগত ১৫/২০সদস্যের একদল সন্ত্রাসী নিয়ে সাংবাদিক শফিকুল আলমের বাড়িতে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাংচুর ও লুটপাট করে। অস্ত্রের মুখে শফিকুল আলম ভুঁইয়াকে ও তার পরিবারের সদস্যদের জিম্মি করে ১৫টি কাঠ গাছ কেটে ট্রাকে করে লুটপাট করে নিয়ে যায়। একপর্যায়ে সাংবাদিক শফিকুল আলম ভুঁইয়াদের ডাক-চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে আসলে সন্ত্রাসীরা প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে পালিয়ে যায়। 

 এ ব্যাপারে দৈনিক নয়াদিগন্ত পত্রিকার সাংবাদিক শফিকুল আলম ভুঁইয়া বাদী হয়ে মিঠাবো গ্রামের আজগর আলীর ছেলে শহীদুল আলম অঞ্জন(৫৬), মোতাহারুল ইসলামের ছেলে অংকন ভুঁইয়া(২৩), শহীদুল ইসলাম অঞ্জনের ছেলে সজিব ভুঁইয়া(৩৮), আফতাব উদ্দিন ভুঁইয়ার ছেলে শাহিন ভুঁইয়া(৫৫), আঃ হাই ভুঁইয়ার ছেলে সোহেল ভুঁইয়া(৪৪), এনামুল হক খোকন ভুঁইয়ার ছেলে রোমান ভুঁইয়া(৩৫) ও গিয়াস উদ্দিনসহ(৬৫) ৮জনকে আসামী করে গতকাল ৯অক্টোবর বৃহস্পতিবার নারায়ণগঞ্জ জেলা বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে পিটিশন মামালা দায়ের করেন। মামলা নম্বর- ৬০৩/২০২৫। আদালত ফৌজদারির কার্যবিধির ১৪৫ধারা অনুযায়ী অভিযুক্তদের আদালতে উপস্থিত হয়ে কারণ দর্শানোর জন্য নির্দেশ প্রদান করেছেন। 

 রূপগঞ্জ থানা ওসি মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম বলেন, আদালতে দায়েরকৃত পিটিশন মামলার কপি পেয়েছি। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।   

রিপোর্ট 

নির্বাহী সম্পাদক

 দৈনিক নতুন বাজার ৭১.নেট

রূপগঞ্জে কিশোরী ধর্ষণের অভিযোগে ধর্ষক গ্রেফতার
                                  

মো: রাসেল মোল্লা 

 

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার গোলাকান্দাইল ইউনিয়নের নতুনবাজার এলাকার এক কিশোরীকে(১৩) ধর্ষণের অভিযোগে নুরুল ইসলাম(৪৫) নামের এক ব্যাক্তিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ৮অক্টোবর বুধবার গোলাকান্দাইল মহিউদ্দিন মার্কেট এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। তার বাড়ি রূপগঞ্জের গোলাকান্দাইল এলাকায়। 

 পুলিশ জানায়, গত ৭অক্টোবর দুপুরে নুরুল ইসলাম কিশোরীকে টাকা দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে নতুনবাজার এলাকার নির্জন কলাবাগানে নিয়ে মুখ বেঁধে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। একপর্যায়ে কিশোরীর ডাক-চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে আসলে বখাটে নুরুল ইসলাম হত্যার হুমকি দিয়ে পালিয়ে যায়। পরে কিশোরীকে উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। এ ব্যাপারে ধর্ষণের অভিযোগে কিশোরীর বাবা রাসেল মিয়া বাদী হয়ে নুরুল ইসলামকে আসামী করে রূপগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেন। 

 রূপগঞ্জ থানা ওসি মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম বলেন, ঘটনাস্থল পুলিশ পরিদর্শন করেছে। কিশোরী ধর্ষণের ঘটনায় রূপগঞ্জ থানায় মামলা রুজু করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃত আসামীকে নারায়ণগঞ্জ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।  

রিপোর্ট 

নির্বাহী সম্পাদক 

দৈনিক নতুন বাজার৭১.নেট

রূপগঞ্জে ইউটিব ব্লগার জিসানের ছিনতাই হওয়া মোটরসাইকেল উদ্ধার ॥ গ্রেপ্তার-১
                                  

মো: রাসেল মোল্লা 

 

ঢাকা বাইপাস সড়কের নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার কাঞ্চন পৌরসভার কুশাবো এলাকা থেকে ইউটিব ব্লগার জিসানের ছিনতাই হওয়া মোটসাইকেল ২০সেপ্টেম্বর শনিবার উদ্ধার করেছে পুলিশ। ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ গাজীপুর জেলার কাশিমপুর থানার বারেন্ডা এলাকা থেকে ইমতিয়াজ লিমন ওরফে রিমন(২০) নামে ছিনতাইকারী চক্রের এক সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এসময় ছিনতাই হওয়া মোটরসাইকেল ও ছিনতাইয়ের কাজে ব্যবহৃত একটি ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। নারায়ণগঞ্জ জেলা সহকারী পুলিশ সুপার মেহেদী ইসলাম ও রূপগঞ্জ থানা ওসি মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। 

পুলিশ জানায়, গত ১১ সেপ্টেম্বর রাতে ইউটিব ব্লগার জিসান(১৮) ও তার বন্ধু ফয়সাল(২২) ঢাকার মিরপুর থেকে পৃথক দুইটি মোটরসাইকেলে পূর্বাচলের ৩০০ ফিট সড়কের গোল চত্বর এলাকায় বেড়াতে আসেন। একপর্যায়ে তারা কুমিল্লার উদ্দেশ্যে মোটরসাইকেলে ঢাকা বাইপাস সড়কের কাঞ্চন পৌরসভার কুশাবো এলাকায় পৌঁছলে অজ্ঞাতনামা ৩জন দুষ্কৃতকারী ইউটিব ব্লগার জিসানের মোটসাইকেলের গতিরোধ করে। দুর্বৃত্তরা অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে তার মোটরসাইকেল ছিনিয়ে নেয়। 

রিপোর্ট 

নির্বাহী সম্পাদক 

দৈনিক নতুন বাজার ৭১.নেট

তারাগঞ্জের আলোচিত দুইজন নিহতের ঘটনায় ২ জন এসআই সহ ৮ জন পুলিশ বরখাস্ত
                                  

মাহে আলম সরকার

(তারাগঞ্জ)প্রতিনিধিঃ

 

রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলায় চোর সন্দেহে গণপিটুনিতে দলিত সম্প্রদায়ের দুই ব্যক্তি নিহত হওয়ার ঘটনায় ২ এসআইসহ ৮ পুলিশ সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। একইসঙ্গে তাদের পুলিশ লাইন্সে ক্লোজড করা হয়েছে। পাশাপাশি তিন সদস্যের তদন্ত কমিটিও গঠন করা হয়েছে।

 

গত বুধবার (১৩ আগস্ট) রাত ৯টায় এ আদেশ জারি করেন রংপুর জেলা পুলিশ। বরখাস্তদের মধ্যে রয়েছেন—তারাগঞ্জ থানার এসআই আবু জোবায়ের, পুলিশ লাইন্সের এসআই শফিকুল ইসলাম, কনস্টেবল আরিকুদ আখতার জামান, ধীরাজ কুমার রায়, হাসান আলী, ফিরোজ কবির, মোক্তার হোসেন ও বাবুল চন্দ্র রায়।

 

রংপুরের পুলিশ সুপার আবু সাইম জানান, ঘটনার সময় প্রথমে তারাগঞ্জ থানা ও পুলিশ লাইন্সের দুটি টিম ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। কিন্তু উত্তেজিত জনতার ভিড় বেশি থাকায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পারেনি তারা। তাদের দায়িত্বে অবহেলা ছিল কিনা তা খতিয়ে দেখতে ২ এসআইসহ ৮ পুলিশ সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত করে পুলিশ লাইন্সে ক্লোজড করা হয়েছে।

 

তিনি জানান, সি-সার্কেল সহকারী পুলিশ সুপার আসিফা আফরোজ আদুরীকে প্রধান করে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে তিন কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।,

 

গত শনিবার (০৯ আগস্ট) রাতে তারাগঞ্জ উপজেলার সয়ার ইউনিয়নের বুড়িরহাট বটতলী এলাকায় ভ্যানচোর সন্দেহে একটি ভ্যানসহ দুইজনকে স্থানীয়রা আটক করে পুলিশে খবর দেয়। পরে তারাগর থানার একটি পুলিশের গাড়ি ও রংপুর পুলিশ লাইন্সের একটি গাড়ি ঘটনাস্থলে আসে। কিন্তু উত্তেজিত জনতা পুলিশের উপস্থিতিতেই ভ্যান চোর সন্দেহে রুপলাল দাস ও প্রদীপ লাল দাস কে পিটিয়ে মেরে ফেলে । তারা সম্পর্কে জামাই-শ্বশুর।এ ঘটনায় নিহত রুপলালের স্ত্রী মালতি রানী ওরফে ভারতী রানী অজ্ঞাত ৭০০ জনকে আসামী করে হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। 

 

পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাস্থলে অভিযান চালিয়ে এখন পর্যন্ত ৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার আতঙ্কে আশপাশের কয়েক গ্রাম পুরষ শুন্য হয়ে গেছে।

কাঞ্চন-কুড়িল সড়কে ডেটওভার প্রাইভেটকার ও সিএনজি থেকে চাঁদাবাজির অভিযোগ
                                  

মো: রাসেল মোল্লা 

 

পূর্বাচল উপশহরের ৩’শ ফুট সড়ক নামে পরিচিত কাঞ্চন-কুড়িল সড়কে গাউছিয়া টু কুড়িল বিশ্বরোড পর্যন্ত লক্কর ঝক্কর ডেটওভার প্রাইভেটকার ও সিএনজি থেকে পুলিশের নাম করে একটি চক্র চাঁদাবাজি করে আসছে বলে অভিযোগ উঠেছে। চক্রটি গাড়ি থেকে প্রতিদিন জিপির নাম করে একশত আর মান্তির নামে ১২০০ টাকা চাঁদা আদায় করারও অভিযোগ উঠেছে।

গাড়ির চালকদের সাথে কথা বলে জানা যায় পুলিশের নামে কুড়িল, কাঞ্চন ও ভুলতা এলাকার প্রতিটি স্টান্ডে সঙ্ঘবদ্ধ চাঁদাবাজচক্র দীর্ঘদিন যাবত নিয়মিত চাঁদা আদায় করছে।

তারা প্রশাসনের নাকের ডগায় কুড়িল ফ্লাইওভারের নিচে ষ্টান্ড বসিয়ে পুলিশের নাম করে এসকল গাড়ি থেকে প্রতিদিন ১শ` ও মাসে ১২০০ টাকা চাঁদা আদায় করে নিচ্ছে।

একটি সূত্র জানায় চাঁদার টাকা ট্রাফিক পুলিশ ও স্থানীয় চাঁদাবাজদের মধ্যে ভাগ বাটোয়ারা করা হয়। এখানকার চাঁদাবাজির সংবাদ ইতিমধ্যে একাধিক পত্রিকায় প্রকাশিত হওয়ার পরও কর্তৃপক্ষকে কোন পদক্ষেপ নিতে দেখা যায়নি। তাই চাঁদাবাজি বন্ধে কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছে ভুক্তভোগীরা।

এ ব্যাপারে বিশ্বরোড এলাকায় দায়িত্বে থাকা টি আই কাউসারের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

কাঞ্চন এলাকার ট্রাফিক ইন্সপেক্টর রাজিবের কাছে চাঁদাবাজির বিষয় জানতে চাইলে তিনি

জানান আমরা এ বিষয়ে কিছুই  জানিনা।

ভুলতা এলাকার হাইওয়ে পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ ওসি জাহানুর রহমান বলেন ভুলতা গাউছিয়া  এলাকায় প্রাইভেট কার স্টান্ডে পুরানো লক্কর ঝক্কর গাড়ি রাখতে দেওয়া হয় না আর যে গুলো চলাচল করে সেগুলো গোপনে চলাচল করে। আমাদের সামনে পড়লে সে গাড়িগুলো রেকার লাগিয়ে জরিমানাসহ ডাম্পিং ব্যবস্থা করি। এছাড়াও আমরা তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেই।

রিপোর্ট 

নির্বাহী সম্পাদক 

দৈনিক নতুন বাজার৭১.নেট

পটুয়াখালী বাউফলে কোটি টাকা প্রতারণার অভিযোগ৷
                                  

মোঃ মিলন সিকদার

বাউফল পটুয়াখালী প্রতিনিধি 

 

পটুয়াখালী জেলাধীন বাউফল উপজেলার বগা ইউনিয়ন কায়না গ্রামের আবদুল মন্নান তালুকদার বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে চাকুরীর কথা বলে অনেক লোকের কাছ থেকে প্রায় ১ (এক) কোটি টাকার মত হাতিয়ে নেন। নিজের বসত বাড়ীতে বহুতল ভবন নির্মাণ করেন। যারা টাকা দিয়েছেন তারা টাকার ফেরৎ দেওয়ার জন্য বললে আবদুল মন্নান তালুকদার তাদের বিভিন্ন ভাবে হুমকি প্রদান করে। তার ছোট ছেলে মোঃ কামাল তালুকদার এক সিন্ডিকেট কোরাম ব্যবসার সাথে জড়িত। পিলার, টক্কনাত এর কথা বলে সাধারণ মানুষকে ধোকা দিয়ে অবৈধ টাকায় পিতার ভবনের পাশে ছাদ বিশিষ্ট্য অন্য একটি ভবন নির্মাণ করেন। আবদুল মন্নান তালুকদারের চাচাতো ভাইয়ের মেয়ের জামাতা পটুয়াখালী সদর উপজেলার ছেলে। তাকে ব্যবসার লোভ দেখিয়ে কয়েক লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করে। টাকা ফেরৎ চাইতে গেলে আবদুল মন্নান তালুকদারের সন্ত্রাস বাহিনী দিয়ে মেরে ফেলার হুমকি প্রদান করে। এতে করে অনেক প্রাণের ভয়ে ওনার বিরুদ্ধে কেউ কোন অভিযোগ করে না। হঠাৎ তার ছোট ছেলে মোঃ কামাল তালুকদার একদিন পটুয়াখালী সদরে যান। তখন পাওনাদারা তাকে আটকে টাকা ফেরৎ দেওয়ার জন্য বলেন। কিস্তু তখন মোঃ কামাল তালুকদার বাউফল উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবদুল মোতালেব হাওলাদারকে তাৎক্ষনিক ফোন করে বিষয়টি জানান। আবদুল মোতালেব হাওলাদার সকল পাওনাদারকে আশ^স্ত করেন তিনি স্থানীয়ভাবে বিষয়টি সুরাহা করে দিবেন। তার কথার প্রতিশ্রæতি অনুযায়ী তখন মোঃ কামাল তালুকদারকে তারা ছেড়ে দেন। এরপর আবদুল মন্নান তালুকদার ও অনুসারিরা আবদুল মোতালেব হাওলাদারের ছত্র ছায়ায় বিভিন্ন অপকর্ম করতে থাকে। আওয়ামীলীগ সরকার পতনের পর তারা এখন স্থানীয় রাজনৈতিক ব্যক্তিদের আস্থাভাজন হওয়ার চেষ্টা করছে।

রূপগঞ্জে দেশীয় অস্ত্রসহ মাদক ব্যবসায়ী ও ডাকাত দলের সদস্য গ্রেফতার
                                  

মো: রাসেল মোল্লা 

 

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার গোলাকান্দাইল এলাকায় যৌথ বাহিনীর অভিযানে মাদক ব্যবসায়ী ও ডাকাত দলের চার সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ২৭জুলাই রবিবার ভোরে গোলাকান্দাইল এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। এসময় তাদের কাছ থেকে ৬ লিটার বাংলা মদ, ২টি ট্যাটা, ১টি ছুরি, ২টি রামদা, ২টি দা, ১টি খেলনা পিস্তল, ১টি বল্লম ও ১টি হেমার উদ্ধার করা হয়। গ্রেফতারকৃতরা হচ্ছে গোলাকান্দাইল পূর্বপাড়া গ্রামের দেলোয়ার হোসেনের ছেলে রিয়ার হোসন(২০), জাকির হোসেনের ছেলে সজীব মিয়া(২২), আসমত আলীর ছেলে দেলোয়ার হোসেন(৫৫) ও জাকির হোসেনের ছেলে সাজ্জাদ হোসেন(২৫)। 

 রূপগঞ্জ থানা ওসি মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম বলেন, গ্রেফতারকৃত চার আসামীকে নারায়ণগঞ্জ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। অন্য আসামীদের গ্রেফতারে পুলিশ তৎপর রয়েছে। 

 রিপোর্ট 

নির্বাহী সম্পাদক 

দৈনিক নতুন বাজার ৭১. নেট

রূপগঞ্জে মুচলেকায় সাত মাদক ব্যবসায়ীর অঙ্গীকার
                                  

মো: রাসেল মোল্লা 

 

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার তারাবো পৌরসভার মৈকুলী এলাকার সাত মাদক ব্যবসায়ী স্ট্যাম্পে লিখিতভাবে মুচলেকা দিয়ে মাদক ব্যবসা ছেড়ে দেওয়ার অঙ্গীকার করেছে। গতকাল ২৬জুলাই শনিবার মৈকুলী বাজার এলাকায় স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মী ও এলাকাবাসীর চাপে পড়ে মাদক ব্যবসায়ীরা এ সিদ্ধান্ত নেয়। একই সঙ্গে মৈকুলী এলাকাকে মাদকমুক্ত ঘোষণা করা হয়।  

জানা গেছে, তারাবো পৌরসভার মৈকুলী এলাকার হোসেন আলী প্রধানের ছেলে আলী আজগর, বারেক মিয়ার মেয়ে সুফি বেগম, রাবি বেগম, সাদ্দাত ভুঁইয়ার ছেলে শ্যামল ভুঁইয়া, কালা চান্দের ছেলে রিপন মিয়া, নুরু মিয়ার ছেলে বিল্লাল হোসেন ও সায়েদ আলীর ছেলে আলম মিয়া দীর্ঘদিন ধরে তারা মাদকদ্রব্য বিক্রি করে আসছিলো। গত ২৫জুলাই শুক্রবার সন্ধ্যায় ৪২পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ তাদের দুই সহযোগীকে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করে এলাকাবাসী। তাতে স্থানীয় মাদক ব্যবসায়ীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরে এলাকাবাসীর চাপের মুখে প্রকাশ্যে শত শত মানুষের সামনে তারা মাদক ব্যবসা না করার অঙ্গীকার করে।   

রূপগঞ্জ থানা ওসি মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম বলেন, মাদক ব্যবসা রোধে এ ধরণের উদ্যোগ অবশ্যই প্রশংসনীয়। তবে কোন ক্রমেই যেন আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি না হয় সেদিকে সকলকে লক্ষ্য রাখতে হবে। মাদক ব্যবসা বন্ধে পুলিশ সক্রিয় ও মাদক ব্যবসায়ীদের গ্রেফতারে তৎপর রয়েছে। 

রিপোর্ট 

নির্বাহী সম্পাদক 

দৈনিক নতুন বাজার ৭১.নেট

রূপগঞ্জে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে পিস্তলসহ গ্রেফতার দুই
                                  

মো: রাসেল মোল্লা 

 

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার গোলাকান্দাইল ইউনিয়নের বালিয়াপাড়া এলাকায় ডাকাতির প্রস্তুতিকালে দুই জনকে বিদেশী পিস্তল ও এক রাউন্ড গুলিসহ গ্রেফতার করেছে যৌথবাহিনী। ২৫জুলাই শুক্রবার ভোরে অভিযান চালিয়ে তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃতরা হচ্ছে আড়াইহাজার উপজেলার ভাটিবালিয়াপাড়া গ্রামের সেলিম মিয়ার ছেলে মোহাম্মদ সাব্বির(২৩) ও ফজলুর করিমের ছেলে মোহাম্মদ ইউনুস(২৫)। 

রূপগঞ্জ থানা ওসি মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম বলেন, বালিয়াপাড়া এলাকায় ডাকাতির প্রস্তুতিকালে যৌথবাহিনী বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে। এ সময় তাদের কাছ থেকে একটি বিদেশী পিস্তল ও এক রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়। গ্রেফতারকৃতদের নারায়ণগঞ্জ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। ডাকাতদলের অন্য সদস্যদের গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

রিপোর্ট 

নির্বাহী সম্পাদক 

দৈনিক নতুন বাজার ৭১. নেট

নীলফামারীতেনগোয়েন্দা পুলিশের অভিযানে ৫৪২ টি সিম ও ৬ টি মোবাইল সহ প্রতারক চক্রের ০৩ সদস্য গ্রেফতার
                                  

নীলফামারী জেলা প্রতিনিধি৷ 

 

 নীলফামারীতে ৫৪২ টি সিম, ৬ মোবাইল ফোন সহ ৩ জন কে গ্রেপ্তার করছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের একটি বিশেষ টিম, জেলা গোয়েন্দা শাখার পুলিশ পরিদর্শক (নিঃ) মোঃ আক্তার হোসেন এর নেতৃত্বে একটি চৌকস অভিযানিক দল গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে নীলফামারী জেলার সৈয়দপুর থানাধীন, সৈয়দপুর পৌরসভাস্থ ০৫ নং ওয়ার্ডের অন্তর্গত পাঁচমাথা সংলগ্ন তামান্না সিনেমা হলের সামনে ফাঁকা জায়গায় এজাহার নামীয় ও অজ্ঞাতনামা আসামীগণ ভিন্ন থানা এলাকা হতে এসে সন্দেহজনকভাবে ঘোরাফেরা করা সহ অ্যাপস এর মাধ্যমে তাদের সহযোগী আসামীদের সহায়তায় বিভিন্ন সহজ-সরল মানুষের নামে রেজিস্ট্রেশনকৃত সিম আসামীগণ নিজের সিম হিসাবে ব্যবহার করে সাধারন মানুষের মোবাইল নম্বর হ্যাক করে তাদের মোবাইল হতে বিকাশ ও নগদ অ্যাপস সহ অন্যান্য অ্যাপস এর মাধ্যমে প্রতারনামূলক ভাবে টাকা আত্মসাৎ করছিলো। ডিবি টিম ইনচার্জ তাৎক্ষনিকভাবে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে রাতে ডিবি টিম ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক (নিঃ) মোঃ আকতার হোসেন এর নেতৃত্বে সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্সসহ ঘটনার সত্যতা যাচাইয়ের জন্য ঘটনাস্থলের উদ্দেশ্যে রওনা করে। গ্রেফতারকৃত আসামীগণ অভিযান পরিচালনা করা কালে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে দিগ্বিদিক ছুটা ছুটি করা কালে সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্সের সহায়তায় ধৃত আসামীরা হলো মামুন (২২), মুরাদ ইসলাম (২৩), ইউনুস নবী সোহেল (২১) কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। এ সময়ে বিধি মোতাবেক সাক্ষীদের উপস্থিতিতে উদ্ধারকৃত প্রতারণার কাজে ব্যবহৃত আলামত (মোবাইল ফোন ও সিম কার্ড) জব্দ তালিকা মূলে জব্দ করা হয়।

 

গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে সৈয়দপুর থানার মামলা রুজু করা হয়েছে।

রূপগঞ্জে শিশু ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে বাড়ির মালিক গ্রেফতার
                                  

রূপগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি৷ 

 

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার গোলাকান্দাইল ইউনিয়নের বিজয়নগর এলাকায় ভাড়াটিয়ার শিশু ধর্ষণ করার চেষ্টার অভিযোগে বাসা বাড়ির মালিক জজ মিয়াকে(৫৫) গতকাল ২৩জুলাই বুধবার গ্রেফতার করেছে পুলিশ। 

 পুলিশ জানায়, রূপগঞ্জের গোলাকান্দাইল ইউনিয়নের বিজয়নগর এলাকার বাসা বাড়ির মালিক জজ মিয়ার বাসায় ভাড়ায় থেকে জনৈক দম্পতি স্থানীয় হারুন মোল্লা টেক্সটাইল মিলে শ্রমিক হিসেবে চাকুরি করেন। গত ২০জুলাই রবিবার পিতা-মাতা তাদের কর্মস্থলে চলে যাওয়ার পর খালি বাড়িতে মেয়েটিকে জজ মিয়া তার শয়ন কক্ষে নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করে। এসময় মেয়েটির ডাক চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে আসলে জজ মিয়া পালিয়ে যায়। পরে মেয়েটিকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

গতকাল ২৩জুলাই বুধবার মেয়েটির পিতা রবিউল খাঁ বাদী হয়ে গোলাকান্দাইল বিজয়নগর গ্রামের মোহর আলী প্রধানের ছেলে বাসা বাড়ির মালিক জজ মিয়াকে আসামী করে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে রূপগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেন। পুলিশ অভিযান চালিয়ে গোলাকান্দাইল এলাকা থেকে জজ মিয়াকে গ্রেফতার করে। 

 রূপগঞ্জ থানা ওসি মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম বলেন, ঘটনাস্থল পুলিশ পরিদর্শন করেছে। শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টার ঘটনায় রূপগঞ্জ থানায় মামলা রুজু করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃত আসামী জজ মিয়াকে নারায়ণগঞ্জ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

রূপগঞ্জে মাদ্রাসা ছাত্রীকে বাড়ির মালিক কর্তৃক ধর্ষণের অভিযোগ
                                  

মো: রাসেল মোল্লা 

 

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার তারাবো পৌরসভার মোগড়াকুল এলাকায় ভাড়া বাড়ির মালিক সাইফুল ইসলাম(৩১) কর্তৃক স্থানীয় মাদ্রাসা ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। গতকাল ১০জুলাই বৃহস্পতিবার ভোরে ছাত্রীর মাতা-পিতা কর্মস্থলে চলে যাওয়ার পর এ ঘটনা ঘটে।  

 পুলিশ জানায়, তারাবো পৌরসভার মোগড়াকুল এলাকার পরস আলীর ছেলে সাইফুল ইসলামের ভাড়া বাড়ির ২য় তলায় ওই মাদরাসার ছাত্রী তার বাবা-মায়ের সঙ্গে স্বপরিবারে বসবাস করেন। ওই মেয়ে স্থানীয় নুরুল হেরা মহিলা মাদরাসায় পড়াশোনা করে। তার পিতা-মাতা রূপসী ফারিহা স্পিনিং মিলস্ লিমিটেডে শ্রমিক হিসেবে চাকুরি করেন। গত ১০জুলাই বৃহস্পতিবার ভোর সাড়ে ৫টায় মেয়েটির পিতা-মাতা তাদের কর্মস্থলে চলে যায়। এসময় ওই ছাত্রী বাড়ির প্রধান গেইটে ছিটকিনি দিয়ে তাদের বসতঘরে যাওয়ার সময় সে লম্পটের কবলে পড়ে। মেয়েটির মুখ চেপে ধরে টেনে-হিঁচড়ে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে তাকে পাশের নির্জন কক্ষে নিয়ে যায়। সেখানে মুখ চেপে ধরে প্রাণনাশের ভয়ভীতি দেখিয়ে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করা হয়। একপর্যায়ে মেয়েটির ডাক চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে আসলে ধর্ষক সাইফুল ইসলাম পালিয়ে যায়। পরে মেয়েটিকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। 

 এ ব্যাপারে মেয়েটির মা জোসনা আক্তার বাদী হয়ে মোগড়াকুল গ্রামের পরশ আলীর ছেলে সাইফুল ইসলামকে আসামী করে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে রূপগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেছেন। 

 রূপগঞ্জ থানা ওসি মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম বলেন, ঘটনাস্থল পুলিশ পরিদর্শন করেছে। মাদ্রাসা ছাত্রী ধর্ষণের ঘটনায় রূপগঞ্জ থানায় মামলা রুজু করা হয়েছে। আসামীকে গ্রেফতারে পুলিশ তৎপর রয়েছে। 

রিপোর্ট 

নির্বাহী সম্পাদক 

দৈনিক নতুন বাজার ৭১.নেট


   Page 1 of 12
     অপরাধ

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ এম.এ মান্নান

নির্বাহী সম্পাদক: মো: রাসেল মোল্লা


ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : মৃধা বেলাল
নির্বাহী সম্পাদক : মো: রাসেল মোল্লা
সহ সম্পাদক : জাহাঙ্গীর আলম ।

ফোন: বার্তা বিভাগ : 88 01927555138, সম্পাদক ও প্রকাশক: 01980716232

ঠিকানাঃ বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়- নারায়ণগঞ্জ, সম্পাদকীয় কার্যালয়- জাকের ভিলা, হাজী মিয়াজ উদ্দিন স্কয়ার মামুদপুর, ফতুল্লা, নারায়ণগঞ্জ। শাখা অফিস : নিজস্ব ভবন, সুলপান্দী, পোঃ বালিয়াপাড়া, আড়াইহাজার, নারায়ণগঞ্জ-১৪৬০, রেজিস্ট্রেশন নং 134 / নিবন্ধন নং 69 মোবাইল : 01731190131,E-mail- notunbazar2015@gmail.com, E-mail : mannannews0@gmail.com, web: notunbazar71.net,
    2015 @ All Right Reserved By notunbazar71.com

Developed By: Dynamic Solution IT Dynamic Scale BD